এবারের নির্বাচনে কোনো অনিয়ম কিংবা ‘ড্রামা’ করার সুযোগ নেই: চট্টগ্রামের ডিসি

জাহাঙ্গীর আলম

সারাবাংলা

চট্টগ্রাম জেলার বিশেষ ও দূরবর্তী ভোটকেন্দ্রগুলোকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দিয়ে এবারের নির্বাচন পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক

2026-02-10T18:26:49+00:00
2026-02-10T18:26:49+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
এবারের নির্বাচনে কোনো অনিয়ম কিংবা ‘ড্রামা’ করার সুযোগ নেই: চট্টগ্রামের ডিসি
জাহাঙ্গীর আলম
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২৬ পিএম   (ভিজিট : ৪৫)
X

চট্টগ্রাম জেলার বিশেষ ও দূরবর্তী ভোটকেন্দ্রগুলোকে আলাদাভাবে গুরুত্ব দিয়ে এবারের নির্বাচন পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, উড়িরচর, ফটিকছড়ি ও বাঁশখালীর পাহাড়ি এলাকাসহ ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সেনাবাহিনীর ইউনিট স্থাপন করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

জেলা প্রশাসক জানান, কোনো ভোটকেন্দ্রের ফলাফল সম্পূর্ণভাবে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছানো পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ম্যাজিস্ট্রেটরা কেন্দ্র ত্যাগ করবেন না—এ মর্মে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের সময়ও বাড়ানো হয়েছে এবং কোন ফোর্স ও ম্যাজিস্ট্রেট কোন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকবেন, তা আগেই নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্বাচন ব্যবস্থাপনায় সমন্বয় বাড়াতে বিভাগীয় পর্যায়ে একটি কোঅর্ডিনেশন সেল গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও কোঅর্ডিনেশন সেল রয়েছে, যেগুলোর কার্যক্রম জেলা প্রশাসন অনলাইনের মাধ্যমে মনিটর করবে।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, জেলার বিভিন্ন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রযুক্তির সহায়তায় অ্যাপ ডেভেলপ করেছেন, যার মাধ্যমে কোন কেন্দ্রে কে কোথায় অবস্থান করছে বা মুভমেন্ট হচ্ছে—তাৎক্ষণিকভাবে জেলা পর্যায়ে জানা যাচ্ছে। প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে এবারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।

নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। আনসার বাহিনীর একটি সুরক্ষা অ্যাপ রয়েছে, পুলিশের বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহৃত হচ্ছে, পাশাপাশি বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের কাছেও বডি-ওর্ন ক্যামেরা রয়েছে। ফলে এবারের নির্বাচনে কোনো অনিয়ম বা ‘ড্রামা’র সুযোগ নেই।

তিনি আরও জানান, মাঠে প্রায় ৪০ হাজারের বেশি বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। জেলায় মোট ১ হাজার ৯৬৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন প্রিজাইডিং অফিসারের জন্য ১৩ জন আনসার সদস্যের পাশাপাশি পুলিশ সদস্যরাও থাকবেন। কোনো কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে পাঁচ মিনিটের মধ্যে স্ট্রাইকিং ফোর্স পৌঁছাবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, প্রার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে কঠোর মনিটরিং চলছে, যাতে ভোটাররা নির্বিঘ্নে ও স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যেখানে সোশ্যাল মিডিয়া এক্সপার্টরা কাজ করছেন। একটি অ্যাপের মাধ্যমে সন্দেহজনক লিংক বা তথ্য সত্য না মিথ্যা—তা দ্রুত যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য শুধু ভোটগ্রহণ ও ফল ঘোষণা নয়। আমরা চাই একটি উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে ভোটাররা নিশ্চিন্তে ভোট দিয়ে আনন্দের সঙ্গে বাড়ি ফিরবেন।

শেষে জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, সরকারি কর্মচারী হিসেবে জাতিকে একটি ফ্রি, ফেয়ার, ক্রেডিবল ও আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একযোগে কাজ করছে।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy