প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০৮ পিএম (ভিজিট : ৭০)

X
যশোর- ৬ (কেশবপুর) আসনে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুরুষ থেকে নারী ভোটারের সংখ্যা বেশী।
নির্বাচনে জয় পরাজয়ে নারী ভোটারদের সমর্থন আদায়ে প্রার্থীরা কাজ করে চলেছেন। প্রার্থীর পাশপাশি কর্মী সমর্থকরাও নারী ভোটারের সমর্থন পাবার লক্ষ্যে ব্যাপক কাজ করছেন।
মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ধীরাজ ভট্টাচার্য্য, মনোজ বসু ও মানকুমারী বসুর জন্মভ‚মি কেশবপুর। ইতিহাস ঐতিহ্যের কেশবপুরকে ঘিরে জাতীয়- ৯০ ও যশোর- ৬ (কেশবপুর) আসন গঠিত। এ আসনটি ফিরে পেতে বিএনপি ও জামায়াত ভোটারদের কাছে নিজেদের কথা তুলে ধরে সমর্থন নেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন।
উপজেলার ৮১টি কেন্দ্রে ভোট প্রয়োগ করবেন ২ লাখ ২৬ হাজার ৪২৩ জন ভোটার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৩ হাজার ১৩৪ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ১৩ হাজার ২৮৭ জন। পুরুষের থেকে নারী ভোটারের সংখ্যা ১৫৩ জন বেশী। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ২ জন।
উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে যশোর- ৬ (কেশবপুর) আসন গঠিত। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছেন ৫ জন প্রার্থী। তাঁরা হলেন- বিএনপির মনোনীত আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত মোক্তার আলী (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মনোনীত শহিদুল ইসলাম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির মনোনীত জিএম হাসান (লাঙ্গল) ও আমার বাংলাদেশ পার্টির মনোনীত মাহমুদ হাসান (ঈগল)।
এ আসনে ১৯৭৯ সালে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ নিয়ে বিজয়ী হন গাজী এরশাদ আলী। ১৯৮৮ সালে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে বিজয়ী হন জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের।
এরপর ১৯৯১ সালে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসেন। এবারের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা আসনটি পাবার লক্ষ্যে পুরুষের পাশাপাশি নারী ভোটারদের সমর্থন আদায়ে সকাল-সন্ধ্যা কাজ করে চলেছেন। এ ছাড়া সাধারণ মানুষের মধ্যেও শুরু হয়েছে পুরুষ ভোটারদের থেকে নারী ভোটারদের নিয়ে বেশী আলোচনা। ১১টি ইউনিয়নসহ পৌর এলাকায় সর্বত্র আলোচনা সমালোচনা চলছে যিনি নারী ভোটারের সমর্থন বেশী পাবেন তিনিই জয়লাভ করবেন। এলাকা ঘুরে জানা গেছে, ৫ জন প্রার্থীই প্রচার প্রচারোনায় চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামের কর্মী সমর্থকরা নিজেদের পক্ষে সমর্থন নেওয়ার জন্য ভোটারদের নিকট বেশী হাজির হচ্ছেন। উপজেলার মির্জানগর গ্রামের আমজাদ আলী বলেন, এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী নিয়ে ভোটারা বেশীর ভাগই আলোচনা সমালোচনায় থাকেন। বড়েঙ্গা গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, বিএনপি ও জামায়াতে ইসলাম তাদের পূর্বের আসনটি ফিরে পেতে ব্যাপক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এলাকার সাধারণ ভোটারদের আলোচনা ও সমালোচনা থেকে বুঝা যায় নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে মধ্যে হাড্ডা হাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার কাজী মাহমুদ হোসেন বলেন, ৮১টি কেন্দ্রে ভোট প্রয়োগ করবেন ২ লাখ ২৬ হাজার ৪২৩ জন ভোটার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১৩ হাজার ১৩৪ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ১৩ হাজার ২৮৭ জন। পুরুষের থেকে নারী ভোটারের সংখ্যা ১৫৩ জন বেশী। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ২ জন। এছাড়া পোস্টাল ব্যালোট ভোটারের সংখ্যা ২ হাজার ৭৪০ জন।