প্রকাশ: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫২ পিএম (ভিজিট : ২৬০)

X
পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় ৩ দিন ব্যাপী উত্তম কৃষি চর্চা বিষয়ক ((&&&&&&GAP)) কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার মোস্তাক আহমেদ এর সভাপতিত্বে এবং স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২২-২৪ ফেব্রæয়ারি এই তিন দিন কৃষক-কৃষাণী ও উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, পঞ্চগড়ের উপ-পরিচালক মোঃ আব্দুল মতিন।
প্রশিক্ষণার্থীদের উত্তম কৃষি চর্চা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন দিনাজপুর অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং অফিসার (পার্টনার) সঞ্জয় দেবনাথ, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) মোঃ সাইফুল ইসলাম ও অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (পিপি) বাসুদেব রায়।
এছাড়াও প্রশিক্ষণে আলোচনা করেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ ফরহাদ হোসেন এবং মোঃ আফজাল হোসেন। মূলত: বক্তারা কৃষির আধুনিক কলাকৌশল নিয়ে প্রশিক্ষণে আলোচনা করেন। উপজেলার ১৮০ জন কৃষক-কৃষাণী আয়োজিত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহন করে।
এঅচ (GAP (Good Agricultural Practices)) বা উত্তম কৃষি চর্চা হলো কৃষিকাজের এমন একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতিমালা ও নির্দেশনা, যার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, পরিবেশ সুরক্ষা, শ্রমিকের নিরাপত্তা এবং টেকসই কৃষি নিশ্চিত করা হয়। এটি কোনো একক আইন নয়, বরং চাষের আগে, চাষের সময় ও ফসল সংগ্রহ পরবর্তী পুরো প্রক্রিয়ায় ভালো চর্চার সমষ্টি। আমেরিকায় এক গবেষণায় দেখা গেছে অনিরাপদ খাদ্য গ্রহণের জন্য প্রতিবছর ছিয়াত্তর মিলিয়ন মানুষ অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে।
তিন লাখ পঁচিশ হাজার মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকে এবং পাঁচ হাজার দুইশ মানুষ খাদ্যজনিত সমস্যার কারণে মৃত্যুবরণ করেন। সুতরাং আমাদের প্রতিদিন নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ করা উচিত। কারণ মানুষই একমাত্র জীব যারা পরিবেশ থেকে সকল সুবিধা গ্রহণ করতে পারে, আবার মানুষই একমাত্র জীব যারা পরিবেশে বিরাজমান বিভিন্ন প্রকার দূষণ দ্বারা সহজেই আক্রাস্ত হতে পারে। আর নিরাপদ খাদ্য মানে সঠিক উপায়ে খাদ্যের উৎপাদন, সংগ্রহ ও সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা, পরিবহন এবং খাদ্য গ্রহণ নিশ্চিত করা। বর্তমান সময়ে ভোক্তারা নিরাপদ খাদ্য, পরিবেশ এবং স¦াস্থ্য সম্পর্কে অনেক সচেতন। উত্তম কৃষি পদ্ধতি হচ্ছে পরিবেশ বান্ধব চাষ এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এর সহায়ক।