প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪৭ পিএম (ভিজিট : ৩৬৩)

X
মাঠ দিবস
ব্রি’র এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর রাইস ফার্মিং সিস্টেমস বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়িত“রবিশস্য অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রচলিত পতিত পতিতরোপা আমন শস্য বিন্যাসের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি” শীর্ষক গবেষণা কার্যক্রমের মাঠ দিবস ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সীতাকুণ্ড উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের মহালঙ্গা গ্রামে উক্ত মাঠ দিবস ও মতবিনিময় সভার প্রধান অতিথি ছিলেন সীতাকুণ্ড উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল্লাহ।
বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রি গাজীপুরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আমানত উল্লাহ রাজু, ব্রি স্যাটেলাইট স্টেশন চট্টগ্রামের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোছাঃ আমিনা খাতুন এবং অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ব্রি, গাজীপুরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তাফসিন আরাফ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল্লাহ ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা তাফসিন আরাফ বলেন, এই গবেষণার আওতায় এই ব্লকে এক ফসলি জমিকে ধাপে ধাপে দ্বি-ফসলি জমিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি উন্নত শস্য বিন্যাস বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রস্তাবিত শস্য বিন্যাস ‘রবি শস্য পতিত রোপা আমন’ মডেলের মাধ্যমে কৃষকের পতিত জমিকে উৎপাদনের আওতায় এনে জমির ব্যবহার দক্ষতা ও সার্বিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। গবেষণার অংশ হিসেবে বর্তমানে মাঠে সূর্যমুখী, সরিষা, ফেলন এবং মুগ ফসলের উপর বিভিন্ন গবেষণা, পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উক্ত ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পিপাস কান্তি চৌধুরী।
এদিকে কৃষক মোঃ নবী বলেন, আমরা আগে সেচের পানির অভাবে এসব জমিগুলো পতিত হিসেবে ফেলে রাখা হত। তবে এখন কম পানি ব্যবহার করেই এসব ফসল চাষ করে আমরা লাভবান হচ্ছি।
এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন তাঁর বার্তায় বলেন, স্থানভিত্তিক উপযোগী শস্য বিন্যাস উদ্ভাবনের মাধ্যমে পতিত জমিকে উৎপাদনের আওতায় আনা এবং কৃষকের আয় বৃদ্ধি করা এলএসটিডি প্রকল্পের অন্যতম লক্ষ্য। এসব গবেষণা কার্যক্রমের তত্ত্বাবধানে ছিল ব্রি স্যাটেলাইট স্টেশন, চট্টগ্রাম এবং সহযোগিতা করেছে সীতাকুণ্ড কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।