প্রকাশ: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৮ পিএম (ভিজিট : ১৭৬)

X
লক্ষীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা ও পৌরসভায় নিউমোনিয়া ও হামসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এতে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র চাপ।
৩১ শয্যার রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১১৯ জন রোগী। কাগজে-কলমে ৫০ শয্যার অনুমোদন থাকলেও এখনো ৩১ শয্যা দিয়েই কার্যক্রম চলছে। ফলে চিকিৎসক ও নার্সদের রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
হাসপাতালের পরিসংখ্যানবিদ গিয়াস উদ্দিন মানিক জানান, ২৫ মার্চ ২ জন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু ভর্তি হয়। পরদিন ২৬ মার্চ ৪ জন, ২৭ মার্চ ৩ জন এবং ২৮ মার্চ ১২ জন ভর্তি হয়। বর্তমানে ১০ জন নিউমোনিয়া রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৬০০-এর বেশি শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে।
অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালের বারান্দা, সিঁড়ির পাশ ও চলাচলের পথেও অস্থায়ী শয্যা বসানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ২০২২ সালে ৫০ শয্যার নতুন ভবন চালু হলেও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ না হওয়ায় পূর্ণাঙ্গ সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ৫ জন সুইপারের স্থলে আছেন ১ জন, ৩ জন ওয়ার্ডবয়ের জায়গায় ১ জন, ২ জন আয়ার জায়গায় ১ জন এবং ৪ জন অফিস সহায়কের স্থলে আছেন ৩ জন। এছাড়া চালক, নাইটগার্ড, মালি ও মেকানিকসহ বেশ কয়েকটি পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন সম্প্রতি বদলি হয়ে যাওয়ায় পদটি বর্তমানে শূন্য রয়েছে। ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. নাজমুল হোসেন জানান, সীমিত জনবল নিয়ে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে চরম চাপের মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে।
এদিকে প্রতিদিন নিউমোনিয়া ও হামসহ বিভিন্ন রোগে শিশু আক্রান্ত হওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।