স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাস এই মাইজচর গ্রামে। একমাত্র প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও মাধ্যমিক বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসা সেবা গ্রহণেও চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয় গ্রামবাসীদের।
বর্ষা মৌসুমে নৌকা ছাড়া চলাচল একেবারেই কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক সময় ঘন্টার পর ঘন্টা নৌকার অপেক্ষায় থাকতে হয় স্থানীয়দের। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা সময়মতো যাতায়াত করতে না পারায় তাদের শিক্ষাজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, শতাধিক মানুষ নৌকার জন্য এক ঘণ্টারও বেশি সময় অপেক্ষা করছেন।
মাইজচর পূর্বপাড়ার বাসিন্দা মো. তাজুল ইসলামসহ স্থানীয়রা বলেন, “আমাদের একমাত্র দাবি হলো দিলালপুর-মাইজচর ঘোড়াউত্রা নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণ করা হোক। এতে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে এবং শিক্ষার্থীরা শিক্ষার আলো পাবে।”
তারা আরও জানান, কিশোরগঞ্জ-৫ (বাজিতপুর-নিকলী) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের কাছে ইতোমধ্যে লিখিতভাবে সেতু নির্মাণের আবেদন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
গ্রামবাসীদের আশা- দিলালপুর-মাইজচর সেতু নির্মাণ হলে তাদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত হবে উপকূলীয় এই জনপদ।