ঈদগাঁওয়ে মহাসড়ক ঘেষে গড়ে উঠেছে অবৈধ বালুর পাহাড়!

ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে মহাসড়ক ঘেষে অবৈধভাবে গড়ে উঠা বালুর পাহাড় নিয়ে প্রশাসন ও বনবিভাগের মধ্যে চলছে রশি টানাটানি। বনবিভাগের

2026-04-03T17:24:14+00:00
2026-04-03T17:24:14+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
ঈদগাঁওয়ে মহাসড়ক ঘেষে গড়ে উঠেছে অবৈধ বালুর পাহাড়!
ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৪ পিএম   (ভিজিট : ১৫০)
X

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে মহাসড়ক ঘেষে অবৈধভাবে গড়ে উঠা বালুর পাহাড় নিয়ে প্রশাসন ও বনবিভাগের মধ্যে চলছে রশি টানাটানি। বনবিভাগের দাবী উত্তোলনকৃত  বালু গজালিয়া নদীর। এতে  তাদের সম্পৃক্ততা নেই। অপরদিকে উপজেলার ইসলামাবাদে প্রকাশ্যে চলছে অবৈধ বালুর মহোৎসব। স্থানীয় সিন্ডিকেট সবকিছু ‘ম্যানেজ’ করে দিনদুপুরে এ বাণিজ্য চালিয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন।

সরেজমিন দেখা গেছে, দীর্ঘ দিন ধরে একটি চক্র প্রশাসনকে ভুলবাল বুঝিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। উত্তোলিত বালু সরাসরি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে এবং সেখান থেকেই প্রকাশ্যে গাড়ি ভর্তি করে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে করে সড়কে যান চলাচল ও পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বালু সিন্ডিকেট অত্যন্ত প্রভাবশালী। তারা বালি উত্তোলনের এই অবৈধ কর্মকাণ্ডকে সময়ে অসময়ে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে। বনবিভাগ ধরলে নদীর বালু আর প্রশাসন ধরলে পাহাড়ি বালু হিসেবে প্রচার করছে। মূলত নিজেদের অপরাধ ঢাকতেই এ ধরনের অপপ্রচার ও বিভিন্ন মহলকে জড়ানো হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গাজালিয়া খাল থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এই খালের সঙ্গে বনবিভাগের কোনো দূরতম সম্পর্ক নেই। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে মুলত এসব করা হচ্ছে। তবে একটি চক্র বনবিভাগকে দিয়ে ফায়দা লুটতে না পেরে নানাভাবে দায় চাপাচ্ছে। মুলত তারা বনবিভাগের দালালি করছে। 

এ বিষয়ে ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) নুরুল ইসলাম বলেন, নদী বা পাহাড়ি বালু উত্তোলন সম্পুর্ন অবৈধ। নদীর সাথে বন বিভাগের কোনো প্রশাসনিক বা ভৌগোলিক সম্পর্ক নেই সত্য, তবে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে এসব বালু সড়ক ও মহাসড়ক দিয়ে পরিবহন করা হচ্ছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে পরিবেশগত হুমকির পাশাপাশি সরকারি সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে। দ্রুত এই চক্রকে আইনের আওতায় আনার জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy