মাল্টিপ্লেক্স চালু রাখার দাবি প্রযোজক-নির্মাতাদের

বিনোদন রিপোর্ট

বিনোদন

ঈদুল ফিতরে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোকে ঘিরে তৃতীয় সপ্তাহেও যখন দর্শকের আগ্রহ তুঙ্গে, ঠিক তখনই সন্ধ্যার পর মাল্টিপ্লেক্সে শো বন্ধের সিদ্ধান্তে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্র অঙ্গনে।

2026-04-07T16:06:57+00:00
2026-04-07T16:06:57+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
মাল্টিপ্লেক্স চালু রাখার দাবি প্রযোজক-নির্মাতাদের
বিনোদন রিপোর্ট
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৬ পিএম   (ভিজিট : ৩৪)
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

ঈদুল ফিতরে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলোকে ঘিরে তৃতীয় সপ্তাহেও যখন দর্শকের আগ্রহ তুঙ্গে, ঠিক তখনই সন্ধ্যার পর মাল্টিপ্লেক্সে শো বন্ধের সিদ্ধান্তে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্র অঙ্গনে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিপণিবিতান বন্ধ রাখার কারণে প্রথমে ব্লকবাস্টার সিনেমাস সন্ধ্যার পর শো বন্ধের ঘোষণা দেয়। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনা করে একে একে একই পথে হাঁটে অন্যান্য মাল্টিপ্লেক্সও।

এ পরিস্থিতিতে সরব হয়েছেন ঈদের সিনেমাগুলোর নির্মাতা ও প্রযোজকেরা। এক যৌথ বিবৃতিতে তারা সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানালেও সিনেমা হল বন্ধ রাখার প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে বলা হয়, সরকার সংকট মোকাবিলায় রাত ৭টার পর মার্কেট বন্ধ রাখার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা তারা সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করছেন। তবে এই সিদ্ধান্তের কারণে মার্কেটের ভেতরে থাকা সিনেমা হলগুলোও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, যা চলমান ঈদের সিনেমা এবং সামগ্রিক চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

নির্মাতা-প্রযোজকদের মতে, ঈদের সিনেমার মূল দর্শকসমাগম ঘটে সন্ধ্যা ও রাতের শোগুলোতে, যা ‘প্রাইম টাইম’ হিসেবে বিবেচিত। দিনের কর্মব্যস্ততা শেষে অধিকাংশ দর্শক এই সময়েই পরিবারসহ প্রেক্ষাগৃহে আসেন। ফলে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে শো বন্ধ হয়ে গেলে বিপুলসংখ্যক দর্শক সিনেমা দেখা থেকে বঞ্চিত হবেন।
তারা অতীতের দৃষ্টান্ত তুলে ধরে বলেন, আগে মার্কেট নির্দিষ্ট সময়ে বন্ধ হলেও সিনেমা হলগুলোকে সেই নিয়মের বাইরে রাখা হতো। রাত ১০টা বা শো শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রদর্শনী চালানোর অনুমতি থাকত, এবং এতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান পরিস্থিতিতেও একই ব্যবস্থা বজায় রাখার দাবি জানান তারা।

অর্থনৈতিক দিকটিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে বিবৃতি তারা বলেন,‘একটি সিনেমা নির্মাণের পেছনে প্রযোজকের কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগ থাকে। উৎসবের এই কয়েকদিনেই সেই বিনিয়োগ তুলে আনার প্রধান সময়। পিক-আওয়ারে হল বন্ধ থাকলে লগ্নিকৃত অর্থ ফেরত পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়বে, যা দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় চলচ্চিত্রের জন্য খুবই খারাপ হবে।’

এ প্রেক্ষিতে তাদের প্রধান দাবি-সিনেমা হলকে সাধারণ দোকানের আওতামুক্ত রেখে, মার্কেট বন্ধ থাকলেও পূর্বের মতো প্রদর্শনী চালু রাখার সুযোগ দেওয়া। তারা মনে করেন, এতে একদিকে দর্শকদের ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পাবে, অন্যদিকে প্রযোজকরাও তাদের বিনিয়োগ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন  ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ নির্মাতা তানিম নূর, প্রযোজক সাকিব আর খান, ‘রাক্ষস’ প্রযোজক শাহরিন আক্তার সুমি,  ‘দম’-এর নির্মাতা রেদওয়ান রনি ও প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল, ‘প্রেশার কুকার’ নির্মাতা ও প্রযোজক রায়হান রাফী এবং ‘প্রিন্স’-এর প্রযোজক শিরিন সুলতানা। 

তারা বলেন, ‘চলচ্চিত্র সবচেয়ে বড় বিনোদন মাধ্যম এবং সৃজনশীল শিল্প। বিগত কয়েক বছরে দর্শক, শিল্পী ও কলাকুশলীদের সহযোগিতায় শিল্পটি এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। দর্শকদের ঈদের আনন্দ পূর্ণতা দিতে এবং প্রযোজকদের বিনিয়োগ ফিরে পেতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও সহমর্মিতাপূর্ণ পদক্ষেপ কামনা করছি।’





  বিষয়:   মাল্টিপ্লেক্স  প্রযোজক  নির্মাতা 



Loading...
Loading...


বিনোদন এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy