সৈয়দপুরে মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় শহর, গ্রাম ও বন্দরজুড়ে মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। আগে যেখানে শুধু রাতে মশার উৎপাত

2026-04-09T12:20:12+00:00
2026-04-09T12:20:12+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
সৈয়দপুরে মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী
সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২০ পিএম   (ভিজিট : ১০৭)
X

নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় শহর, গ্রাম ও বন্দরজুড়ে মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। আগে যেখানে শুধু রাতে মশার উৎপাত দেখা যেত, এখন দিনে-রাতেই সমানভাবে মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন উপজেলার সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরের বিভিন্ন এলাকায় ড্রেন, নর্দমা ও জলাবদ্ধ স্থানে সঠিকভাবে মশানাশক ওষুধ না ছিটানোর কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মশার উপদ্রবের কারণে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চিকুনগুনিয়ার মতো মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়িতে শিশু ও শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটছে। গৃহপালিত পশু গরু-ছাগলও মশার কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মশার উপদ্রবের কারণে মসজিদে নামাজ আদায়েও মুসল্লিদের ভোগান্তি হচ্ছে।

পৌরসভা এলাকার ১৫টি ওয়ার্ডসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নেও এখন মশার উপদ্রব ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এ সুযোগে কয়েল ও স্প্রে ব্যবসায়ীদের বিক্রি বাড়লেও নাগরিক ভোগান্তি কমছে না।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সৈয়দপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কমরেড দেলোয়ার হোসেন জাভিস্কো বলেন, মশা কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। পৌরসভার বেশির ভাগ নালা ও ড্রেন নিয়মিত সংস্কার না হওয়ায় এ নাগরিক ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। সৈয়দপুর শহরের পানি নিষ্কাশনের জন্য নির্মিত ড্রেনগুলো ঠিকভাবে নির্মাণ না হওয়ায় পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। ড্রেনগুলো দুর্গন্ধযুক্ত পানি, ময়লা-আবর্জনায় ভরে গেছে। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে এবং পানি নিষ্কাশনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব আবর্জনার কারণে মশা ও জীবাণুর বংশবৃদ্ধি ঘটছে, যা পৌরবাসীকে চরমভাবে অতিষ্ঠ করে তুলেছে।

পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ডের বাসিন্দারা জানান, সৈয়দপুর শহরের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার করা হয় না। যেটুকু পরিষ্কার করা হয়, তাও অল্প কয়েকটি স্থানে সীমিত। অনেক জায়গায় ড্রেনের পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় সেখানে মশার বংশবিস্তার বাড়ছে। এ সংকট মোকাবিলায় নিয়মিত কীটনাশক ছিটানো এবং ময়লা-আবর্জনা অপসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।

তবে কোনো কোনো এলাকায় মশা নিধনে ওষুধ ছিটানো হলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে স্থানীয়রা মত দিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, কোথাও কোথাও ড্রেন পরিষ্কার করা হলেও তা নিয়মিত ও সঠিকভাবে করা হচ্ছে না। এছাড়া অপরিকল্পিতভাবে ড্রেন নির্মাণের কারণে কোথাও উঁচু, কোথাও নিচু হয়ে পানি জমে থাকছে এবং ময়লা-আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে।

এ অবস্থায় তারা পৌর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী সমাধান না হলে প্রতি বছরই সামান্য বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে না।






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy