প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম (ভিজিট : ৯১)

X
মতবিনিময় সভা
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, দেশের ভিতর বরিশাল শের-ই-বাংলা হাসপতাল নামকরা হলেও রাজনৈতিকসহ নানা দূর্ণীতি চর্চার কারনে আজ সেটি ধংশের দ্বারপ্রান্তে। জুলাই আন্দোলনের মাধ্যমে গঠিত এ সরকারে দূর্ণীতিকে প্রশ্রয় দেয়ার সুযোগ নেই। আপনাদের কাছে হয়তবা রোগীদের কান্না, মৃত্যু স্বাভাবিক হয়ে গেছে। কিন্তু একজন স্বজনের কাছে তার প্রিয়জনের মৃত্যু সারাজীবনের কান্না।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, সেবিকা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসপাতালে চতুর্থ তলার হলরুমে ড্যাবের মেডিকেল শাখার সভাপতি ডা. নজরুল ইসলাম সেলিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি আরও বলেন, আমাদের জীবনের সাথে ডাক্তার, নার্স ও টেকনিশিয়ানরা ওতপ্রতভাবে জড়িত। অথচ গতকালও বরিশোলে সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু স্কুল ছাত্রী চৈতীর পরিবারের অভিযোগ ছিলো, দূর্ঘটনার পর শের-ই-বাংলা হাসপাতালে আহাজারি করে এক ঘন্টায়ও বাচ্চাটির চিকিৎসা শুরু করাতে পারেনি। অবশেষে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছে মেয়েটি। এই অকাল মৃত্যুর জন্য যেমনি দূর্ঘটনা ঘটানো অটোচালক দায়ী তেমনি দায়ী হাসপাতালে অবহেলাকারী চিকিৎসকও। তাই অটোচালকের যেমন বিচার হওয়া উচিৎ তেমনি দায়ী চিকিৎকেরও বিচার হওয়া উচিৎ।
মতবিনিময় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আনোয়ার হোসেন বাবলু বলেন, বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময় এ হাসপাতালটি তলানিতে চলে গেছে। আমি এবং বর্তমান পরচালক দায়িত্ব নেয়ার পর সরকারী সাহায্যের পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে হাসপাতালের পরিবেশকে একটি ভালো জায়গায় নিয়ে এসেছি। সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক সহযোগীতা করলে এ হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে বলে প্রত্যাশা করি।
এসময় অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন, ড্যাবের জেলা সভাপতি ডা. কবিরুজ্জামান ও হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর। বক্তব্য রাখেন অর্থোপেডিক সার্জন ডা. মোঃ হাফিজুল্লাহ, সহকারী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম রুমেন, ডা. মহসিন আলমসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকবৃন্দ।