প্রকাশ: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৬ পিএম (ভিজিট : ৪৫৮)

X
বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদ
বগুড়া শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথায় অবস্থিত বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদ নতুনভাবে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে স্থবির হয়ে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনাটি এখন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এনে নতুন নকশায় গড়ে তোলার কাজ শুরু হতে যাচ্ছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান -এর নির্দেশনায় এই উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে তত্ত্বাবধানে রয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছেন।
প্রকাশিত এক অফিস আদেশ অনুযায়ী, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বগুড়ার আওতায় মসজিদটির ডিজাইন ও প্রাক্কলন প্রণয়নের জন্য একটি কারিগরি কমিটি গঠন করেছে। কমিটিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আধুনিক নকশা ও ব্যয় প্রাক্কলন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে জানা যায়, ২০০১-২০০৫ সালে চারদলীয় জোট সরকারের সময় তৎকালীন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের আদলে বগুড়ার এই মসজিদ নির্মাণ করা হয়। তবে পরবর্তী সময়ে এর আর কোনো বড় ধরনের উন্নয়ন হয়নি। ফলে আংশিক নির্মিত অবস্থাতেই দীর্ঘদিন ধরে মুসল্লিরা এখানে নামাজ আদায় করে আসছেন।
এবার সেই স্থবিরতা কাটিয়ে মসজিদটিকে আরও আধুনিক, দৃষ্টিনন্দন ও সম্প্রসারিত রূপে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, নতুন নকশায় থাকবে আধুনিক স্থাপত্যশৈলী, পর্যাপ্ত নামাজের জায়গা, উন্নত স্যানিটেশন ব্যবস্থা এবং নান্দনিক পরিবেশ।
এ প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। বগুড়া-৬ (সদর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বায়তুর রহমান সেন্ট্রাল মসজিদ শুধু একটি ধর্মীয় উপাসনালয়ই নয়, বরং বগুড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্যিক ও ধর্মীয় নিদর্শনে পরিণত হবে।
স্থানীয় মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে মসজিদটি শিগগিরই একটি পূর্ণাঙ্গ ও আধুনিক রূপ পাবে।