শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড শাল্লার হাওর

শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

​সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় কালবৈশাখীর ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে কৃষকেরা পড়েছে চরম বিপর্যয়ে। বুধবার

2026-04-16T18:52:13+00:00
2026-04-16T18:52:13+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড শাল্লার হাওর
শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫২ পিএম   (ভিজিট : ৪২৭)
শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড শাল্লার হাওর
X

শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড শাল্লার হাওর

​সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় কালবৈশাখীর ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে কৃষকেরা পড়েছে চরম বিপর্যয়ে। বুধবার  রাত ১০টা ২৩ মিনিটের দিকে আকস্মিক শুরু হওয়া তীব্র ঝড়-তুফান ও ভারী শিলাবৃষ্টিতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে উপজেলার বিস্তীর্ণ বোরো ফসলের মাঠ। বছরের একমাত্র ফসল হারিয়ে এখন হাওরজুড়ে হাহাকার আর কান্না ও শিলাবৃষ্টির তান্ডব ভেঁসে উঠছে কৃষকদের চোখের সামনে।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে শুরু হওয়া প্রবল ঝড় ও বড় আকারের শিলার আঘাতে মাঠেই ঝরে গেছে কৃষকের সারা বছরের স্বপ্ন। উপজেলার চারটি ইউনিয়নের প্রধান প্রধান হাওরগুলোতে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে শাল্লা ইউনিয়নের পূর্বের বন, ছাগল আইয়্যার বন, ডোপাডরার বন, কুশিয়ার দাইর, জলবাঙ্গার হাওর; বাহাড়া ইউনিয়নের হাফরার বন, পাইতলা ধরা বন, কাইস্যা বিলের হাওর; হবিবপুর ইউনিয়নের উদগল হাওর,বরাম হাওর, এবং খালিকোটা ও ছায়ার হাওরের একাংশ শিলাবৃষ্টির কবলে পড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কৃষকদের কাছ থেকে জানা গেছে।

​বর্তমানে হাওরাঞ্চলে ধান কাটার মহোৎসব চলায় অধিকাংশ জমিতেই ধান ফেকে সোনালী বর্ণ ধারণ করেছিল। সেই প্রলয়ঙ্কারী শিলাবৃষ্টিতে পাকা ধানের ছড়াগুলো ভেঙে মাটিতে পড়ে গেছে। অনেক স্থানে শিলার আঘাতে ধান গাছ থেকে ঝরে শুধু খড় অবশিষ্ট রয়েছে। হাড়ভাঙ্গা খাটুনি আর ধার-দেনা করে ফলানো সোনার ফসল চোখের সামনে নষ্ট হতে দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক।

​এ বিষয়ে শাল্লা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শুভ জিৎ রায় জানান, এবার শাল্লা উপজেলায় মোট ২১ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। গত কয়েকদিনের অতিরিক্ত বৃষ্টি ও গতরাতের শিলাবৃষ্টিতে প্রাথমিকভাবে নতুন করে প্রায় ১৫০ হেক্টর জমি আক্রান্ত হয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নয়।

​তিনি আরও জানান, চূড়ান্ত ক্ষতির পরিমাণ আরও যাচাই-বাছাই ও বিশ্লেষণ করে আমরা পরবর্তীতে বিস্তারিত প্রতিবেদন দেব। বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরূপণে আমাদের টিম কাজ করছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের মুখে অবশিষ্ট পাকা ধান দ্রুততম সময়ের মধ্যে কেটে ফেলার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে ফসলহানির ঘটনার সাথে সাথে বিদ্যুতেরও চরম ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যুতের এই ভোগান্তির ফলে জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠছে।  তাই বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসনে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন শাল্লাবাসী।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy