আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস এ আদেশ দেন।
এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্তের স্বার্থে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান। অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে জামিন শুনানির জন্য আগামী রোববার দিন নির্ধারণ করেন।
পুলিশের আবেদনে বলা হয়, গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন বনলতা আবাসিক এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে এ এম হাসান নাসিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবির উপপরিদর্শক বিনয় কুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি দল তদন্তের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনায় জড়িত অন্যান্য অজ্ঞাত পরিচয় আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার, আলামত উদ্ধার এবং ঘটনার নেপথ্যে কারা ইন্ধন জুগিয়েছে, তাদের নাম-ঠিকানা উদঘাটনের জন্য আসামিকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
চিফ হুইপকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে তার একনিষ্ঠ কর্মী পরিচয় দানকারী মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে আজ শনিবার গুলশান থানায় মামলাটি করেন।
মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ১১ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুলশানে নিজ বাসায় অবস্থানকালে তিনি দেখতে পান, বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর ইসলাম মনিকে ব্ল্যাকমেইল করার উদ্দেশ্যে একটি ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট করা হয়েছে। সেখানে ক্যাপশন দেওয়া হয় 'সাগর থেকে ৩টা তিমি মাছ নিয়ে এসেছি, ২টা হাঙর আসতেছে ইনশাআল্লাহ, সবার দাওয়াত: চিফ হুইপ'। পরবর্তীতে ওই আইডি থেকে বিভিন্ন সময়ে আরও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচার করা হতে থাকে।
এজাহারে আরও বলা হয়, অজ্ঞাত পরিচয় আসামিরা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে চিফ হুইপ নূর ইসলাম মনির ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বিভিন্ন স্ক্রিনশট পাঠিয়ে অনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন। বিষয়টি নিয়ে চিফ হুইপের সঙ্গে আলোচনার পর বাদী থানায় এসে এই অভিযোগ দায়ের করেন।