প্রকাশ: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৪ এএম (ভিজিট : ৯২)

X
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রায়হান ইসলাম শোভন
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় “হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬” সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে প্রতিষ্ঠানটির কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন এবং সঞ্চালনা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার দীপ সাহা। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ব্যাংকার, শিক্ষা কর্মকর্তা ও স্থানীয় সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
এ্যাডভোকেসি সভায় বক্তব্য রাখেন মুকসুদপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. মতিয়ার মোল্লা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ভিম্বদেব মন্ডল, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির, জনতা ব্যাংক পিএলসি’র মুকসুদপুর শাখা ব্যবস্থাপক এনামুল হাসান, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার বিকাশ চন্দ্র মল্লিক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মুকসুদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. ছিরু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. ওহিদুল ইসলাম, মুকসুদপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, মুকসুদপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি তারিকুল ইসলাম এবং প্রেসক্লাব মুকসুদপুরের সভাপতি আমোদ মোল্লা প্রমুখ।
সভায় বক্তারা হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদানের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রায়হান ইসলাম শোভন জানান, দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত মুকসুদপুর উপজেলায় এই টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়নের মোট ৫১টি ইপিআই কেন্দ্র এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপিত ১টি কেন্দ্রসহ মোট ৫২টি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তিনি আরও জানান, এ বছর উপজেলার ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী মোট ৩৩ হাজার ১৩৮ জন শিশুকে ১ ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এই টিকা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, সকলের সহযোগিতায় এ ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং উপজেলার প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।