
X
সহকারী কমিশনার মো: শাহিন আলম
সেবা ও আত্মনিবেদনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত দামুড়হুদা ভূমি অফিস। চুয়াডাঙ্গায় প্রথম অবস্থানে রয়েছে এই ভুমি অফিসটি।
সহকারী কমিশনার মো: শাহিন আলম ২০২৫ সালের ২২ ডিসেম্বর সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দামুড়হুদা, চুয়াডাঙ্গা যোগদানের পর কয়েক দফায় তিনি দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। একইসাথে প্রশাসক, দর্শনা পৌরসভার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। মাত্র ৪ মাস কর্মকালে তিনি ৬ হাজার এর অধিক নামজারি মামলা নিষ্পত্তি করেন। নামজারি সূচকে (১৫ দিন গড় নিষ্পত্তি ) করে দামুড়হুদা ভুমি অফিসের অবস্থান চুয়াডাঙ্গা জেলায় প্রথম।
এসিল্যান্ড শাহিন আলম বলেন, নির্বাচনী আচরণ বিধি, মাটি কাটা, সার মজুদ, তেল মজুদ, মাদক বিরোধী, ভেজাল ওষুধ, ভেজাল খাবার ইত্যাদি বিষয়ে শতাধিক মোবাইল কোর্ট, অভিযান ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছি।ভূমি সেবা বৃদ্ধি ও রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যে নানাবিধ কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। গত ১২ এপ্রিল কার্পাসডাংগা বাজারে দিনব্যাপী বিশেষ কার্যক্রম এর মাধ্যমে ১০০ এর অধিক চান্দিনা লীজ নবায়ন করেছি। সরকারি সম্পদ রক্ষা, নিলাম ইজারা, ভূমি অফিস সংস্কার কার্যক্রম একই সাথে চলমান রয়েছে । উপজেলা ভূমি অফিস, হাউলি ও কুড়ালগাছি ইউনিয়ন ভূমি অফিস সংস্কার/নতুন ভবন নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।
এসিল্যান্ড শাহিন আলম বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একাডেমিক ও ক্যারিয়ার প্লানিং বিষয়ে মোটিভেশনাল কার্যক্রম পরিচালনা করেন যা স্বপ্রনোদিত এক ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ। একইসাথে পৌর প্রশাসক হিসেবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মশক নিধন কার্যক্রম, রাস্তা ঘাট, সড়ক বাতি উন্নয়ন, শীতবস্ত্র বিতরণ ও খেলাধুলার প্রসারে নানা কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন।
সার্ভেয়ার পদ শূন্যতা, সার্ভার জটিলতাসহ নানাবিধ সীমাবদ্ধতা নিয়েই তিনি কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।
তার আগের কর্মস্থল ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জে তিনি দেড় বছর কর্মকালে ১০ বছরের পেন্ডিং সব মামলা নিষ্পত্তি করেন ও খুলনা বিভাগে নামজারি সূচকে প্রথম স্থান অর্জন করেন।
এসিল্যান্ড মো: শাহিন আলম বলেন, জনগণের ভোগান্তি দূরীকরণ ও সেবার স্বচ্ছতা আমার প্রথম লক্ষ্য। অতীতের সব কর্মস্থলের মত সর্বোচ্চ আত্মনিবেদন নিয়ে কাজ করে যেতে চাই।