প্রকাশ: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪০ পিএম (ভিজিট : ১২৬)

X
সংবাদ সম্মেলন
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কোনাবাড়িতে মোহাম্মদ আলী প্লাজার মালিকগণ ৩য় ও ৪র্থ ফ্লোর ভাড়াটিয়াকে জামানতের টাকা ও মালামাল ফেরৎ না দিয়ে ভাড়ার মেয়াদ পূর্তির পূর্বেই কৌশলে উচ্ছেদ পূর্বক হয়রানি করছে বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগি ভাড়াটিয়া মোঃ তহিদুল ইসলাম রাসেল (৪২) বুধবার বেলা ১১ টায় গাজীপুর শহরের হাবিবুল্লাহ স্মরণিতে সাংবাদিক সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
রাসেল অভিযোগে বলেন, তিনি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোনাবাড়ি বিসিক শিল্প এলাকার মোহাম্মদ আলী প্লাজার মালিক যথাক্রমে মোঃ সেলিম সরকার, নজরুল, শরিফুল ইসলাম ও মোঃ জহিরুল ইসলামের নিকট থেকে স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তিনামা দলিলের মাধ্যমে ১৫ লাখ টাকা জামানত ও মাসিক ৪ লাখ টাকার ভাড়া নির্ধারণ পূর্বক ৩ বছরের মেয়াদে ভাড়া নেন এবং সেখানে আবাসিক হোটেলের ব্যবসা শুরু করেন। হোটেলের নাম হ্যাভেন ফ্রেশ আবাসিক।
পরবর্তী সময়ে জুলাইয়ের ফ্যাসিবাদী সরকার পতন আন্দোলনে হোটেলটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে হোটেল মালিক দীর্ঘ ৪ মাস তার ব্যবসা বন্ধরাখতে বাধ্য হন। পরে তিনি ১৬ জুলাই ২০২৫ তারিখে হোটেল ব্যবসাটি পুনরায় চালু করলে, ২২ জুলাই ২০২৫ তারিখে সন্ধ্যায় মার্কেট (মোহাম্মদ আলীপ্লাজা) মালিকরা মার্কেটের ৩য় ও ৪র্থ তলার হোটেলে এসে সন্ত্রাসী স্টাইলে হোটেলে কর্মরতদেরকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে বের করে দেয় এবং হোটেলের নিয়ন্ত্রণ নিজেরা গ্রহণ করে।
ফলশ্রুতিতে হোটেল মালিক রাসেল মার্কেট মালিকদের সাথে যোগাযোগ করেও কোন সুরাহা করতে পারেনি। তিনি থানা-পুলিশ ও জিএমপি পুলিশ কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেও অদ্যপর্যন্ত কোন মীমাংসা পাননি।
ব্যবসা হারিয়ে তিনি এখন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। শূণ্য হাতে তিনি মেটাতে পারছেননা সাংসারিক নানা প্রয়োজনও।
সাংবাদিকদেও প্রশ্নের জবাবে, রাসেল জানান, মার্কেট মালিকগণ খুবই বেপড়–য়া। তারা আমার নিকট এখন আরো ৬০ লাখ টাকা অতিরিক্ত দাবি করছেন। যা আমার দ্বারা প্রদানকরা কোনভাবেই সম্ভব নয়। তিনি আরো জানান, আমি আমার জামানতের টাকা ও মালামাল ফেরৎ চাইলে তারা আমাকে প্রাণনাশের হুমকী প্রদান করছে। এ অবস্থায় তিনি প্রশাসন সহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চাচ্ছেন ব্যবসা ফিরে পেতে।