অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের ফুলবাড়ি গ্রামের মৃত রুস্তম মোল্লার ছেলে মোঃ তাহাজ্জত হোসেন প্রথমে আড়পাড়া হাই স্কুল থেকে ১৯৮০ সালে এসএসসি পাস করেন। ওই শিক্ষাগত তথ্য অনুযায়ী তার জন্মতারিখ ১ জানুয়ারি ১৯৬৬ বলে দাবি করা হয়।
পরবর্তীতে তিনি আবার নতুন শিক্ষাগত সনদে ঢাকা জিটকা গাউসুল আজম মাদরাসা, মানিকগঞ্জ থেকে ১৯৯৬ সালে দাখিল, ১৯৯৮ সালে আলিম, ২০০০ সালে ফাজিল এবং মাগুরা সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসা থেকে ২০০৫ সালে কামিল পাস করেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, তিনি ১৯৮৮ সালে কাটাখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বাণিজ্য শাখার শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরে ২০০৩ সালে আমুড়িয়া বায়তুস সালাম দাখিল মাদরাসায় সহকারী মৌলভী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন।
একই ব্যক্তির দুই ধরনের শিক্ষাগত তথ্য ও বয়স সংক্রান্ত নথি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, চাকরিতে টিকে থাকতে তিনি বয়স কমিয়ে নতুন শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার করেছেন।
এ বিষয়ে সহকারী মৌলভী শিক্ষক মোঃ তাহাজ্জত হোসেনের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, সংবাদ প্রকাশ করলে আমার কিছুই হবে না। আমিও একসময় দৈনিক খেদমত পত্রিকায় সাংবাদিকতা করতাম। প্রয়োজনে আমিও লিখবো।
অত্র মাদরাসার সুপার শাহজাহান সিরাজ বিষয়টি নিয়ে সরাসরি মন্তব্য এড়িয়ে যান। বয়স ও শিক্ষাগত তথ্যের অসঙ্গতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি অস্পষ্টভাবে কথা বলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাগুরার এক শিক্ষাবিদ বলেন, যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়, তাহলে এটি রাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। এতে প্রকৃত চাকরি প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন।
এ বিষয়ে মাগুরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রহিম বলেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সরকারি বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাংবাদিকরা বিষয়টি অনুসন্ধান করে তুলে ধরতে পারেন।