কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কোয়ার্টারে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে নাকাল রোগী-পথচারী

কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি

সারাবাংলা

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন আবাসিক কোয়ার্টার ভবনের ছাদে মুরগির খামার করায় দুর্গন্ধে হাসপাতালে আসা রোগী ও

2026-05-12T13:39:49+00:00
2026-05-12T13:56:32+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কোয়ার্টারে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে নাকাল রোগী-পথচারী
কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬, ১:৩৯ পিএম  আপডেট: ১২.০৫.২০২৬ ১:৫৬ পিএম  (ভিজিট : ৬০)
কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন কোয়ার্টারে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে নাকাল রোগী-পথচারী
X

কুমারখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন কোয়ার্টারে মুরগির খামার, দুর্গন্ধে নাকাল রোগী-পথচারী

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন আবাসিক কোয়ার্টার ভবনের ছাদে মুরগির খামার করায় দুর্গন্ধে হাসপাতালে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের পথ চলতে হচ্ছে নাকে রুমাল দিয়ে।

হাসপাতালের আয়া পলি খাতুনের গড়ে তোলা এই খামারের বিষ্ঠার দুর্গন্ধে নাভিশ্বাস উঠেছে প্রসূতি বিভাগ থেকে শুরু করে বহির্বিভাগের রোগীদের।

সোমবার সরেজমিনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় গিয়ে দেখা যায়- এক অদ্ভুত চিত্র। হাসপাতালের মূল ভবনের ঠিক ৩০ মিটার দূরত্বেই আবাসিক কোয়ার্টার। হাসপাতালে গাইনি বিভাগ, অপারেশন থিয়েটার এবং প্রসূতি মায়েরা চিকিৎসাধীন। ঠিক তার পাশেই মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে সেই খামার। একটু বাতাস হলেই ছাদ থেকে ভেসে আসছে মুরগির বিষ্ঠার তীব্র দুর্গন্ধ। এই উৎকট গন্ধে হাসপাতালের ওয়ার্ড ও কেবিনে থাকা রোগীরা আরও অসুস্থ বোধ করছেন।

সন্তানের চিকিৎসার জন্য আসা মরিয়ম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ছেলে পানি খেতে চেয়েছিল বলে কোয়ার্টারের সামনের টিউবওয়েলে গিয়েছিলাম। সেখানে দম বন্ধ হওয়ার মতো অবস্থা হাসপাতালের ভেতরে এমন খামার হয় কী করে? কর্তৃপক্ষ কি কিছুই দেখে না? রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া বৃদ্ধ পথচারী আব্বাস আলী বলেন, এমনিতেই শ্বাসকষ্টে ভুগছি। এই রাস্তা দিয়ে এখন চলাচল করা যায় না গন্ধে। যেখানে রোগ সারার কথা, সেখানে রোগের কারখানা বানানো হয়েছে। এটা চরম দুঃখজনক। 

খামারের মালিক হাসপাতালের আয়া পলি খাতুন বিষয়টি স্বীকার করে জানান, এক মাস হলো খামারটি করেছি। একটু বৃষ্টি হয়েছে, তাই গন্ধ হচ্ছে। তাছাড়া গন্ধ হয় না। 

তিনি বলেন, খামারে তিন শতাধিক ব্রয়লার মুরগি রয়েছে। এখন ২১ দিন বয়স হয়েছে। আজকেই এখান থেকে মুরগিগুলো সরিয়ে ফেলবো।

খামারটির ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানেন কি না প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়টি জানি আমি আমি তাকে খামারে মুরগি না তোলার ব্যাপারে জানিয়েছিলাম।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শারমিন আক্তার বলেন, ওই কোয়ার্টার এক সময় মাদকাসক্তদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছিল। তাই আমার আগের কর্মকর্তা পলি খাতুনকে ওখানে থাকতে দিয়েছিলাম। হাসপাতাল কোয়ার্টারে মুরগির খামার করার বিষয়টি জানেন না দাবি করে তিনি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার মাধ্যমে জানলাম এ বিষয়ে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব। 

কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, খোঁজখবর নিয়ে এ ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন-হাসান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমিতো জানিনা আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম, আমি ইউএনওকে জানিয়ে দিচ্ছি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy