
প্রতীকী ছবি
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরায় তাছলিমা খাতুন (৩৫) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে গলা কেটে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে।
শনিবার (১৬ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে লক্ষীদাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী সাদ্দাম হোসেন পলাতক রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ১৬ বছর আগে সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে তাছলিমার বিয়ে হয়। তাঁদের ১২ বছরের একটি মেয়ে ও ৯ বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। নিহত তাছলিমা চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
নিহতের বড় মেয়ে সাদিয়া সুলতানা (১২) জানায়, তার বাবা মাদকাসক্ত ছিলেন। নেশার টাকার জন্য তিনি প্রায়ই মায়ের সঙ্গে ঝগড়া ও মারধর করতেন। ঘটনার রাতে পাশের ঘরে সাদিয়া, তার ছোট ভাই ও দাদি ঘুমাচ্ছিলেন। গভীর রাতে মায়ের গোঙানির শব্দ শুনে তারা দ্রুত ওই ঘরে গিয়ে তাছলিমার গলাকাটা রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখে। প্রতিবেশীরা তাঁকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত গৃহবধূর বাবা নুরুজ্জামান অভিযোগ করে বলেন, "বিয়ের পর থেকেই যৌতুক ও নেশার টাকার জন্য আমার মেয়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাতো সাদ্দাম। সে যে আমার মেয়েকে এভাবে খুন করবে তা ভাবতেও পারিনি। আমি এই খুনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।"
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান, পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্বামী পলাতক। তাঁকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।