প্রকাশ: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ১২:০৫ পিএম (ভিজিট : ১২৭)

X
সংগৃহীত ছবি
ঈদের প্রচারের লক্ষ্যে নাজনীন হাসান খান নির্মাণ করলেন ‘রঙিন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা’। নাটকটি রচনা ও চিত্রনাট্য করেছেন রাজীব মণি দাস। গল্পের বিভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে- শিবলী নোমান, জান্নাতুন নূর মুন, কাজী রাজু, রেশমা আহমেদ, আশরাফুল আশিষ, ফরিদ হোসাইন, প্রমুখ।
নাজনীন হাসান খান বলেন- একুশ বছর বয়সে ছেলেমেয়োরা কারো কাছে মাথা নত করতে চায়না। তারা জানে পুরাতনকে ভেঙে কিভাবে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে হয়। তাই সকল বাধা ভেঙ্গে দুই মন একসাথে থাকতে চায় জনম জনম।
রাজীব মণি দাস বলেন- এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ট সময়। নতুন পৃথিবীকে জানাতে চাই আমরা আসছি। তাইতো রক্তের সম্পর্ককে চ্যালেঞ্জ করে নতুন কিছু করতে চায় তারা। জীবন যুদ্ধে যে টিকে থাকে সেইতো বীর। বিড়ালের মতো হাজার বছর বাঁচার চেয়ে সিংহের মতো একদিন বেঁচে থাকা উত্তম। রিপা ও স্বপন তার উদাহরন।
কাহিনিতে দেখা যায়-বিশ্ববিদ্যালয়ে একই ডিপার্টমেন্টে পড়াশোনা করে রিপা ও স্বপন। পরিচয় থেকে তাদের মধ্যে প্রেমর সম্পর্ক তৈরি হয়। যদিও আমাদের দেশের রাজনীতির প্রেক্ষাপট ভিন্ন, শুরু হয় ছাত্র রাজনীতির এক বাধ্য-বাধ্যকতা।
সাধারন ছাত্ররা হয়ে যায় ক্যাডারদের হাতের পুতুল; হলে মিলেনা সিট। তেমনই রিপার বড় ভাই বোমা মাস্টার রাজনৈতিক বড় ভাই হিসাবে পরিচিত। অপরদিকে সগির আরেক রাজনৈতিক বড় ভাই স্বপনের। রিপা ও স্বপনের সম্পর্ক বোমা মাস্টার মেনে নিতে পারেনি। স্বপনকে মার-ধর করে। এই নিয়ে শুরু হয় দুই গ্রুপের মধ্যে হাতহাতি। বোমা মাস্টারও বাবার কথাকে চ্যালেঞ্জ করে রিপা বিয়ে দিয়ে দেয় তার ভালবাসার মানুষ স্বপনের সাথে।
ফলাফল বিতারিত হয় পরিবার থেকে। শুরু হয় তাদের নতুন সংসার। অভাব-অনটনে তার দিশেহারা। এই মুহূর্তে কি করবে দুজন? এক রাতে দুজন ঘুমিয়ে আছে হঠাৎ স্বপন স্বপ্নে বিভোর হয়ে বোমা মাস্টার স্মৃতিসহ রিপার সাথে ঝগড়ায় মেতে উঠে, এক পর্যায়ে রিপাকে আঘাত করলে রিপা মারা যায়।
কি করবে এখন স্বপন? অবশেষে ফাঁসির রায় হয়। হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে দেখে রিপা তার পাশে বসে আছে। স্বপন যা স্বপ্নে দেখেছে তার পুরোটাই রিপা বসে শুনেছে। কারণ কিছু স্বপ্ন দেখার সময় মানুষ কথা বলে, তাতেই রিপা বুঝতে পেরেছে ঘটনা। দুজন ব্যক্তির আশা নিরাশার স্বপ্ন ভেসে উঠে এ যেন ‘রঙিন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা’।