কিশোরীকে ধর্ষণ, কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি

বিনোদন

নেত্রকোনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে এক অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে অনুষ্ঠিত

2026-08-04T17:09:12+00:00
2026-08-04T17:09:12+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
কিশোরীকে ধর্ষণ, কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ
নেত্রকোনা প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৯ পিএম   (ভিজিট : ১৫৯)
কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া
X

কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া

নেত্রকোনায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে এক অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে অনুষ্ঠিত গ্রাম্য সালিসে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় সালিসের একটি ভিডিও সোমবার (৩ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। ভুক্তভোগী (১৩) স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

অভিযুক্ত রিপন মিয়া (৩০) নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের নন্দুরা গ্রামের মঞ্জিল মিয়ার ছেলে। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রিপন ভিডিও নামে পরিচিত। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে রিপন মিয়াকে আপত্তিকর অবস্থায় মেয়েটির বাড়ির পেছনে স্থানীয়রা দেখতে পায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে গ্রাম্য সালিস অনুষ্ঠিত হয়। ওই সালিসে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গ্রাম্য সালিসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টাকা পরিশোধ এবং গ্রাম ছাড়তে রিপন মিয়াকে এক সপ্তাহ সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে সরেজমিনে রিপন মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে পরিবারের সদস্যরা জানায়, এদিন সকালে তিনি কাজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়েছেন।

রিপন মিয়ার গর্ভবতী স্ত্রী চম্পা আক্তার জানান, ঘটনার বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন না। মানুষের মুখে বিষয়টি শুনেছেন। তার স্বামী নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন। তাকে অন্যায়ভাবে জরিমানা করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরো জানান, সালিসে তার স্বামী ছাড়া পরিবারের অন্য কোনো সদস্যকে রাখা হয়নি। বিষয়টি অন্যায়ভাবে তার স্বামীর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভুক্তভোগী মেয়ের আগে থেকেই আমাদের পরিবারে যাতায়াত ছিল। 

সালিশে উপস্থিত সুজন মিয়া জানান, অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে সালিশ চলাকালে রিপন মিয়া উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পা ধরে ক্ষমা চান। পরে সালিশে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছাড়ার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীর মা জানান, তার মেয়ে বর্তমানে এলাকার বাইরে অবস্থান করছে। প্রথমে স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘটনাটি জানতে পারেন। পরে মেয়েকে জিজ্ঞাসা করলে সে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে।

তিনি বলেন, ‘আমরা সালিশের সিদ্ধান্তই মেনে নিয়েছি। মামলার বিষয়ে আমরা তেমন কিছু বুঝি না। মুরব্বিরা যে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, সেটাই মেনেছি।’

নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি আবুল খায়ের বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি দেখার পর বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।’





Loading...
Loading...


বিনোদন এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy