শুক্রবার (২৩মে) বিকেল রাতে ফতুল্লার বক্তাবলী ইউনিয়নের চর বয়রাগাদী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শিশু ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্তরা হলো একই এলাকার মনির হোসেনের ছেলে হিরো ও জামাল পাটোয়ারীর ছেলে সোহেল।
ধর্ষণের শিকার শিশুকে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, শিশুটি স্থানীয় হিগমাতুল উম্মাহ দারুল উলুম মাদরাসার শিশু শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। শুক্রবার বিকেলে শিশুটি বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। এসময় প্রতিবেশী লম্পট হিরু ও সোহেল শিশুটিকে ২০ টাকা দেয়ার লোভ দেখিয়ে একটি জমিতে নিয়ে যায়। তারা সেখানে ওই শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। ঐসময় হিরু ও সোহেলকে শিশুটিকে হত্যার হুমকি দেয়। যার কারনে শিশুটি বাসায় গিয়ে ভয়ে প্রথমে কাউকে কিছু বলেনি। সন্ধ্যার পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা খারাপ দেখে তার মা তাকে জিজ্ঞেস করলে ঘটনা জানতে পারে এবং শিশুটিকে মুন্সীগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা জানান, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী উত্তেজিত হয়ে অভিযুক্ত হিরু ও সোহেলের বাসায় যায়, সেখানে তাকে না পাওয়া গেলেও রাতে বালুরচর মোল্লা বাজার এলাকায় লম্পট হিরুকে শিশুটির বাবা দেখতে পেয়ে আটক করে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় হিরুকে ধরে এনে গণপিটুনি দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হিরুকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।
ফতুল্লায় মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাবুব আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আহত হিরুকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন শান্ত। তবে গণপিটুনি খাওয়া হিরুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।