প্রকাশ: রোববার, ২৪ মে, ২০২৬, ২:৩৮ পিএম (ভিজিট : ৯৭)

X
ছবি: প্রতিনিধি
নীলফামারীর ডোমারের হাটগুলোতে কোরবানি ঈদের শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট। কোরবানি ঈদের শেষ মুহূর্তে এসে উপজেলার হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
এবার গরু-ছাগলের দাম সাধ্যের মধ্যে থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে বেশ স্বাচ্ছন্দ্য দেখা গেছে। কেউ এককভাবে আবার অনেকে জোট বেঁধে কোরবানির গরু কিনছেন।
উপজেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট বসুনিয়া হাট, আমবাড়ী হাট ও বোড়াগাড়ী হাটে দেখা গেছে একই চিত্র। হাটগুলোতে দেশীয় ছাগল, ভেড়া, গরু ও মহিষের পাশাপাশি খামারিদের গরুরও চাহিদা রয়েছে। প্রতিটি গরুর দাম প্রকারভেদে ৬০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত।
তবে হাটে আনা গরুগুলোর মধ্যে মধ্যম দামের মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। অনেকে ঝামেলা এড়াতে খামারে গিয়েও গরু কিনছেন।
ভারতীয় গরু না আসায় দেশীয় গরুর বর্তমান বাজারমূল্য পেয়ে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই খুশি। অনেক ক্রেতাই জানান, সময় যেহেতু শেষ হয়ে আসছে, তাই কম-বেশি যাই হোক গরু কিনতেই হবে।
অপরদিকে বসুনিয়া হাটে কাদা-পানির কারণে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
শনিবার বোড়াগাড়ী হাটে গরু কিনতে আসা বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা গোলাম রব্বানী জানান, “এবার গরুর দাম অনেকটাই সহনশীল রয়েছে।”
কোরবানি ঈদের শেষ সপ্তাহে দুই দিনে আর মাত্র তিনটি হাট রয়েছে। এর মধ্যে সোমবার বসুনিয়া হাট এবং মঙ্গলবার বোড়াগাড়ী ও আমবাড়ী হাট বসবে।