বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট (WCCU) শুক্রবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে বিভিন্ন প্রজাতির মোট ১৭টি বন্যপাখি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পাখিগুলোর মধ্যে ছিল কালিম, শালিক, টিয়া, ময়না ও ঘুঘু।
বাংলাদেশ বনবিভাগের বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস সাদিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উদ্ধারকৃত পাখিগুলোর স্বাস্থ্য ও উড়তে সক্ষমতা পরীক্ষা করে যেসব পাখি সুস্থ ও উড়তে সক্ষম ছিল, সেগুলোকে তাৎক্ষণিকভাবে উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে।
ওই বন কর্মকর্তা বলেন, ফতুল্লার এই হাটে এর আগেও একাধিকবার বন্যপ্রাণী বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পূর্ববর্তী অভিযানে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে বন্যপাখি ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের প্রচলিত আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
বর্তমান সরকার দেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে আরও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০২৬ প্রণয়ন করেছে। নতুন আইনের আওতায় অধিকাংশ বন্যপাখির অবৈধ দখল, পরিবহন, ক্রয়-বিক্রয় ও বাণিজ্য আমলযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট সকল নাগরিককে বন্যপাখি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী ক্রয়-বিক্রয় থেকে বিরত থাকার এবং বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছে।