
X
তেঁতুলিয়ায় স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের নতুন উদ্ভাবনে জমে উঠল বিজ্ঞান মেলা
মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী শক্তির মিলনমেলায়‘সবার আগে বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় অনুষ্ঠিত হলো অনাড়ম্বর এক বিজ্ঞান উদ্ভাবনী মেলা। যেখানে স্কুল কলেজ পড়ুয়া মেধাবীদের নতুন নতুন উদ্ভাবন আর বৈজ্ঞানিক ভাবনায় মুখরিত ছিল পুরো উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণ।
শুক্রবার দুপুরে এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম বা ইইএসএস-এর আয়োজনে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। মেলায় তেঁতুলিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এবং সরকারি কলেজসহ উপজেলার ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৩টি দল অংশ নেয়। স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরি করা বিভিন্ন স্টার্টআপ বিজ্ঞান প্রজেক্ট এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ধারণা নিয়ে হাজির হয় দর্শনার্থীদের সামনে।
সিপাইপাড়া দ্বিমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যলয়ের শিক্ষক তৌহিদুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শওকত আলীর সভাপতিত্বে মেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহিন খসরু।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আজিজুল বারী বাবু, উপজেলা কৃষি অফিসার সাবরিনা আফরিন, সমাজসেবা অফিসার আবু তাহের, আইসিটি অফিসার নবীউল কারিম,যুব উন্নয়ন অফিসার আবু জাফর হাওলাদার,আঃ জব্বার সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা, উপজেলা যুবদলের হামিদুল হাসান লাবু,প্রভাষক কাজীউল হক,আঃ সালাম, আছমত আলী, টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক লক্ষন, মোস্তাফিজুর রহমান, এমিপ'র প্রতিনিধি তাজউদ্দীন আহমদ, একাডেমিক সুপারভাইজার ফারুখ হোসেনসহ আরও অনেকে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও জানান, শিক্ষার্থীদের এই উদ্ভাবনী ধারণাগুলো যেন কেবল মেলাতেই সীমাবদ্ধ না থাকে। তিনি বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই উদ্ভাবনগুলোকে বাস্তব রূপ দিয়ে দেশের উন্নয়নে কাজে লাগাতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
এসময় অতিথিগন প্রতিটি স্টল ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রজেক্টগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। খুদে বিজ্ঞানীদের এই আত্মবিশ্বাসী উপস্থাপনা মুগ্ধ করে উপস্থিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের।
অনুষ্ঠান শেষে সৃজনশীলতার ভিত্তিতে সেরা তিনটি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। ১ম স্থান কাজী শাহাবুদ্দীন বালিকা উচ্চ বিদ্যলয় ও কলেজ, ২য় স্থান বেগম খালেদাজিয়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, ৩য় স্থান বেগম ফকরুন্নেসা ফাজিল মাদ্রাসা। এইক্ষেত্রে আগামীর বিজ্ঞানমনস্ক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এক আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয় এই উদ্ভাবনী আয়োজন।