প্রকাশ: রোববার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৩ পিএম আপডেট: ১২.০৭.২০২৬ ৮:০৮ পিএম (ভিজিট : ৩৬)

X
ছবি: প্রতিনিধি
কাউখঅলী সহ দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ আরো গতিশীল, আধুনিকায়নে কাউখালী-নেছারাবাদের প্রস্তাবিত সংযোগ সেতুর স্থান পরিদর্শন করেন সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব আব্দুর রউফ।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে সড়ক পথে কাউখালীর আমরাজুড়ী ফেরীঘাটে আসলে প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং বিএনপির নেতৃবৃন্দ ফুলের শুভেচ্ছা জানান। পরবর্তীতে প্রতিনিধি দল স্পিডবোডযোগে কাউখালী সন্ধ্যা ও গাবখান নদীর বিভিন্ন সম্ভাব্য নির্মাণ স্থান পরিদর্শন করেছেন সেতু বিভাগের উর্ধতন কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, স্থানীয় প্রশাসন এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
এসময় সংশ্লিষ্ট নদী সমুহের প্রসস্থতা, নৌ চলাচলের উপযোগীতা, ভৌগোলিক অবস্থান, সংযোগ সড়কের সম্ভাবনা এবং সেতু নির্মাণের কারিগরি দিকগুলো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের নিকট থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন সেতু বিভাগের সচিব।
এসময় পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, কাউখালী থানার ওসি তদন্ত এবাদ আলী।
মাননীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন (এমপি)র পক্ষে প্রতিনিধি দলকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান - উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এইচ এম দীন মোহাম্মদ। এর সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সাবেক সদস্য সচিব শাফিউল আজম ভিপি দুলাল, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক সায়েম উদ্দিন তালুকদার, গিয়াস উদ্দিন অলি, যুবদলের আহবায়ক আসাদুজ্জামান মামুন তালুকদার, স্বেচ্ছাসেবকদলের আহবায়ক মোঃ জাহিদুর রহমান ফিরোজ, সদস্য সচিব রাকিব তালুকদার সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
স্থানীয়রা জানান- আমাদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা কাউখালী উপজেলা এবং নেছারাবাদ উপজেলার সাথে সার্বিক যোগাযোগের সুবিধা সংযোগ সেতু। বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ওয়াদা করেছিলেন তিনি বিজয়ী হলে তাদের এ দাবী পূরণ করা হবে। তারই একান্ত প্রচেষ্টায় আমাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে।
সেতুটি নির্মাণ হলে দুই উপজেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পাশাপাশি যাতায়াতের সময় ও ব্যায় কমবে এবং এ অঞ্চলের বানিজ্য, কৃষি ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।