ভালুকায় নির্মাণাধীন ইটিপি প্ল্যান্টের ট্যাংকিতে পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি সিরামিক কারখানার নির্মাণাধীন ইটিপি (ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) ট্যাংকিতে নেমে অক্সিজেনের ঘাটতিতে দুই শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু

2026-07-18T18:46:20+00:00
2026-07-18T18:46:20+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
ভালুকায় নির্মাণাধীন ইটিপি প্ল্যান্টের ট্যাংকিতে পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু
ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম   (ভিজিট : ১২৩)
দুই শ্রমিকের মৃত্যু
X

দুই শ্রমিকের মৃত্যু

ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি সিরামিক কারখানার নির্মাণাধীন ইটিপি (ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) ট্যাংকিতে নেমে অক্সিজেনের ঘাটতিতে দুই শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। 

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পাড়াগাঁও বড়চালা এলাকায় অবস্থিত এক্সিল্যান্ড সিরামিক্স গ্রুপে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর উদ্ধারকাজে কারখানা কর্তৃপক্ষের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন সহকর্মী শ্রমিকরা।

নিহতরা হলেন খুলনার কয়রা উপজেলার নক্সা-আমাদী গ্রামের ফারুক গাজীর ছেলে মেকানিক্যাল ওয়েল্ডার শফিকুল ইসলাম (৩০) এবং নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার বল্লী গ্রামের কুহিল মিয়ার ছেলে সিভিল হেলপার রুমেল (২৫)।

সহকর্মী শ্রমিকদের ভাষ্য, শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে নির্মাণাধীন ইটিপি প্ল্যান্টের ট্যাংকিতে কাজ করতে নামেন রুমেল। সেখানে অক্সিজেনের তীব্র সংকটে তিনি অসুস্থ হয়ে ছটফট করতে থাকেন। তাকে উদ্ধার করতে ট্যাংকির ভেতরে নামেন মেকানিক্যাল ওয়েল্ডার শফিকুল ইসলাম। কিন্তু তিনিও একইভাবে অক্সিজেনের স্বল্পতায় অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং ট্যাংকির ভেতরেই আটকে যান।

শ্রমিক মিজানুর রহমান, বাদল ও আবু তাহের অভিযোগ করেন, দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় দুই শ্রমিক ট্যাংকির ভেতরে পড়ে থাকলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্ধার তৎপরতা চালায়নি। পরে সহকর্মীরাই মই বেয়ে নিচে নেমে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন। তাদের দাবি, কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও গড়িমসির কারণেই দুই শ্রমিকের প্রাণহানি ঘটেছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এক্সিল্যান্ড সিরামিক্স গ্রুপের স্যানিটারি প্ল্যান্টের প্রধান অবিনাশ কুন্ডু। তিনি বলেন, নিহতরা কারখানার স্থায়ী শ্রমিক নন; তারা ঠিকাদারের অধীনে চুক্তিভিত্তিক (কন্ট্রাকচুয়াল) শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন। উদ্ধারকাজে কোনো অবহেলা করা হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

খবর পেয়ে শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। শিল্প পুলিশ, ময়মনসিংহ-৫ অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গুপিনাথ কাঞ্জিলাল বলেন, দুর্ঘটনার কারণ এবং উদ্ধারকাজে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে কারখানা কর্তৃপক্ষের অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy