প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:৫৭ পিএম (ভিজিট : ৩৮)

X
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) বিজ্ঞানীরা দেশের কৃষি খাতে এক অনন্য মাইলফলক অর্জন করেছেন। বিভিন্ন ফসলের ৬৮১টি উচ্চ ফলনশীল (হাইব্রিডসহ), রোগ প্রতিরোধ সক্ষম ও প্রতিকূল পরিবেশ সহনশীল জাত এবং ৬৯২টি অন্যান্য উৎপাদন প্রযুক্তিসহ এযাবৎ মোট ১ হাজার ৩৭৩টি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন তারা।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বারির কাজী বদরুদ্দোজা মিলনায়তনে বারি, ব্রি, জিএইউ, এনএটিএ এবং এসসিএসহ কৃষি সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় এবং অভ্যন্তরীণ গবেষণা পর্যালোচনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন কর্মশালা-২০২৬-এ এসব তথ্য জানানো হয়।
কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বারি’র মহাপরিচালক ড. মো. মন্জুরুল কাদির এবং বারির গবেষণা কার্যক্রম ও সাফল্যের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষণা পরিচালক ড. ফারুক আহমেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, সময়ের প্রয়োজনকে সামনে রেখে বিজ্ঞানীদের গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে হবে এবং প্রতিকূল আবহাওয়া উপযোগী জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
বারির প্রটোকল অফিসার মো. হাসান হাফিজুর রহমান জানান, এসব প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ফলে দেশে তেলবীজ, ডালশস্য, আলু, সবজি, মসলা এবং ফলের উৎপাদন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ সকল প্রযুক্তির উপযোগিতা যাচাই-বাছাই এবং দেশের বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কর্মসূচি গ্রহণ করাই এ কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য। এছাড়া, ২০২৫-২০২৬ সনের গবেষণা কর্মসূচির মূল্যায়ন এবং সেই অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী ২০২৬-২০২৭ সনে নতুন গবেষণা কর্মসূচি প্রণয়নের জন্যই এ আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জি কে এম মুস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলাম, জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমির মহাপরিচালক মো. সাইফুল আজম খান এবং বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির পরিচালক ড. মো. সাইফুল আলম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের তথ্য উপস্থাপন করেন। এতে কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নার্সভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিএডিসি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বারি’র বিভিন্ন বিভাগের বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তারা অংশ নেন।