প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৮ পিএম (ভিজিট : ৩৭)

X
তারেক রহমান ও এমপি ফয়সলের প্রতি কৃতজ্ঞ ইমামগণ
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় সরকারি সম্মানী প্রাপ্তির লক্ষ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের নাম নিবন্ধন কার্যক্রম উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার মসজিদগুলোর দায়িত্বশীলরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ১৬৫টি মসজিদ এবং মাধবপুর পৌরসভার ৩৬টি মসজিদসহ মোট ২০১টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমের সরকারি সম্মানীর জন্য নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এতে মোট ৬০৩ জন ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেম গত কয়েক দিন ধরে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় আবেদনপত্র সংগ্রহ, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান এবং নাম নিবন্ধনের কাজ সম্পন্ন করেন। এ সময় মাধবপুর বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ শাহজাহানের নির্দেশনায় ইমাম, মুয়াজ্জিন খাদেমদের ফরম সংগ্রহ, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান এবং নাম নিবন্ধনের কাজে সহযোগিতায় করেন।
উপজেলা বিএনপির সভাপতি সামসুল ইসলাম কামাল বলেন ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমগণের আবেদনপত্র সংগ্রহ, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান এবং নাম নিবন্ধনের কাজে প্রতিটি ইউনিয়নের নেতাকর্মী সহযোগিতা করেছেন।
পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি বিএনপি সরকার যতবার ক্ষমতায় এসেছে ততবারই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে কাজ করেছেন। নির্বাচনের আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপি ক্ষমতায় আসলে ইমাম মোয়াজ্জিন ও খাদেমদের সম্মান দেওয়া হবে তা বাস্তবায়ন হতে চলেছে। পাশাপাশি হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সহ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী দেওয়া হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আদর্শকে ধারণ করে হবিগঞ্জ-৪(মাধবপুর চুনারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য এস.এম. ফয়সাল সাহেব মাধবপুর চুনারঘাটে প্রায় শতাধিক মসজিদ মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিয়েছেন।
থানা মসজিদের ইমাম মাওলানা শফিকুল ইসলাম জানান ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা ধর্মীয় ব্যক্তিদের জন্য সরকারি সম্মানীর উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন। সরকারের এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নিবন্ধনের জন্য আসা ইমামগণ হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. ফয়সলের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
তাদের প্রত্যাশা, এ উদ্যোগের মাধ্যমে মসজিদের সেবায় নিয়োজিত ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমরা আরও উৎসাহিত হবেন এবং ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন।