প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১২ পিএম (ভিজিট : ১)

X
সংগৃহীত ছবি
ইরানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ যেকোনো আলোচনায় ক্ষতিপূরণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলায় সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির জন্য ওয়াশিংটনের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করার পর ট্রাম্পও পাল্টা এ দাবি উত্থাপন করেন।
সোমবার (১০ আগস্ট) ট্রাম্প তার প্রতিনিধিদের নির্দেশ দেন, ইরানের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনায় ক্ষতিপূরণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরতে হবে। তিনি দাবি করেন, এর আগে ইরান আলোচনার টেবিলে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি আনেনি।
ট্রাম্প বলেন, ইরানের হামলায় নিহত বা গুরুতর আহত ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায় করা উচিত। পাশাপাশি ইরানে বিভিন্ন বিক্ষোভে নিহতদের পরিবারের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া লেবানন, সিরিয়া, ইয়েমেন ও গাজায় ইরানের কর্মকাণ্ডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে যে ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটেছে বলে ওয়াশিংটন মনে করে, সেসব ক্ষেত্রেও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন তিনি।
অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের শর্ত পূরণ না করা পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া হবে না। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অবৈধ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড’ বন্ধ করার পাশাপাশি ইরানের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে খুলে দিতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ ও অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ এবং বিদেশে আটকে থাকা ইরানি সম্পদও মুক্ত করতে হবে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ওমানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে তেহরান। সাময়িকভাবে একটি নির্দিষ্ট নৌপথ বা করিডোর চালুর বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে। তবে ইরান স্পষ্ট করেছে, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।