প্রকাশ: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:১৬ পিএম (ভিজিট : ০)

X
গর্তে গর্তে রায়পুর-ফরিদগঞ্জ সড়ক, ঝুঁকি নিয়ে চলাচলে বাড়ছে দুর্ঘটনা
রায়পুর-ফরিদগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের সাড়ে ৩ কিলোমিটারজুড়ে ছোট-ছোট-বড় গর্তে ভয়াবহ বেহাল অবস্থা। খানাখন্দে ভরা এই সড়কে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজারো যাত্রী ও পরিবহন চালকদের। রাস্তার বড় গর্তগুলোতে যানবাহনের চাকা পড়ে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা।
গত দুদিন ধরে ভারী যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে চলাচল করলেও নাট বল্টু খুলে পড়ছে সড়কে। টেন্ডার হলেও সংস্কার কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি এক বছরেও।
জানা যায়, খানাখন্দ আর জলাবদ্ধতায় রায়পুর-ফরিদগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে চার কিলোমিটার এখন চলাচলের অনুপযোগী। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশালসহ আরও ৪জেলার অন্যতম ব্যস্ত এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন অন্তত ৩০ হাজার মানুষ যাতায়াত করত। সেই সড়কেই এখন ‘মৃত্যুফাঁদ’। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে রাস্তায় সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য গর্ত। শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালিতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে পথচারী, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা। আর বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে ডুবে গিয়ে পুরো সড়ক ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
ফলে প্রতিদিনই জীবনের মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। গত দুই বছরে এই সড়কে শতাধিকের বেশি ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। সিএনজি, মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যান ও ইজি বাইক দুর্ঘটনার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে রাস্তার অবস্থা আরো ভয়াবহ হয়ে গেছে। প্রায়ই গর্তে আটকে গিয়ে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে। গত দুদিন ধরে ভারি যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
সড়কের চলাচলকারী যাত্রী এবং চালকরা জানান, ভাঙা সড়কের কারণে অনেক সময় রোগী, গর্ভবতী নারী ও বৃদ্ধদের সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। গাড়ি নষ্ট হয়, সময় নষ্ট হয়—ভোগান্তির শেষ নেই। এই রাস্তায় চলা মানেই মৃত্যুঝুঁকি। কখন দুর্ঘটনা ঘটে বলা যায় না। শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। কাদা-পানি ছিটকে জামাকাপড় নষ্ট হয়ে যায়। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
লক্ষ্মীপুর সওজ ও সড়ক বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী মো: নজরুল ইসলাম বলেন, এদিকে সড়কের বেহাল দশার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, সড়কটির ওয়ার্ক অর্ডার ঠিকাদারকে দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই ঠিকাদার সংস্কারের কাজ শুরু করবেন। স্বাভাবিকভাবে ভারী যান চলাচলের জন্য বড় বড় গর্তগুলো সংস্কার কাজ শুরু হচ্ছে।