প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৩, ৬:৪১ পিএম (ভিজিট : ১২২)

X
ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ ৯৫ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর শান্তর সঙ্গী হন মুশফিক। এই জুটিও সম্ভাবনা জাগিয়েছিল। মুশফিক একবার ক্যাচ দিয়েও বেঁচে গিয়েছিলেন। তবে ইনিংস লম্বা করতে পারলেন না।
পাথিরানার বলে করুনারত্নের তালুবন্দি হওয়ার আগে করেন ১৩ রান। ২২ বলের ইনিংসে ছিল ১টি বাউন্ডারি। পঞ্চম উইকেট জুটি ভাঙে ৩২ রানে। বাংলাদেশের স্কোর ৩৩.৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩০ রান।
পাল্লেকেলেতে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ৩৬ রানে নেই ৩ উইকেট! মহিশ থিকশানার করা ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই এলবিডাব্লিউ হন অভিষিক্ত তানজিদ তামিম (০)। আরেক ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ দীর্ঘদিন পর ওয়ানডেতে সুযোগ পেয়েও আউট হন ২৩ বলে ১৬ রানে।
একপ্রান্ত আগলে রাখা নাজমুল হোসেন শান্তকে সঙ্গ দিতে পারেননি অধিনায়ক সাকিবও। মাথিশা পাথিরানার বলে ফিরেন ৫ রানে। মাত্র ৩৬ রানে তিন উইকেট হারিয়ে প্রবল চাপে পড়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দুই তরুণ নাজমুল হোসেন শান্ত আর তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে শুরু হয় ঘুরে দাঁড়ানোর মিশন। ৬৬ বলে ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি তুলে নেন শান্ত।
জুটিও ছাড়িয়ে যায় পঞ্চাশ। এরপরই ছন্দপতন! দাসুন শানাকার বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান ৪১ বলে ২০ রান করা তাওহীদ হৃদয়। তার ইনিংসে নেই কোনো বাউন্ডারি।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৯ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান।
শান্ত অপরাজিত আছেন ৮৭* রানে।
বাবু/জেএম