৩৫৮ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রীতিমত দুঃস্বপ্নের ব্যাটিং করেছে শ্রীলঙ্কা। জাসপ্রিত বুমরাহ, মোহাম্মদ সিরাজ, মোহাম্মদ শামিদের তোপে স্কোরবোর্ডে মাত্র ২৯ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারিয়ে বসেছিল লঙ্কানরা। এরপর দলীয় ৪৯ রানে কাসুন রাজিথাকে আউট করে ‘ফাইফার’ পূর্ণ করেন ভারতীয় পেসার মোহাম্মদ শামি। মাত্র ৫৫ রানে অলআউট হয়ে ৩০২ রানের লজ্জার পরাজয় বরণ করে নেয় শ্রীলঙ্কা।
এর আগে বিরাট কোহলি, শুভমান গিল আর শ্রেয়াস আয়ারের ব্যাটে চড়ে ভারত দাঁড় করিয়েছে ৮ উইকেটে ৩৫৭ রানের বড় পুঁজি।
অথচ মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল ভারত। দলীয় ৪ রানের মাথায় রোহিত শর্মাকে (৪) বোল্ড করে লঙ্কান শিবিরকে উচ্ছ্বাসে ভাসান দিলশান শুভমান গিল আর বিরাট কোহলি দ্বিতীয় উইকেটে ১৭৯ বলে গড়েন ১৮৯ রানের বড় জুটি। যেভাবে খেলছিলেন, সেঞ্চুরিটা প্রাপ্যই ছিল গিল-কোহলির। কিন্তু মাত্র ৮ রানের জন্য গিল পারলেন না তিন অংকের ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে। কোহলিও সেই পথেই হাঁটলেন।
৯২ বলে ১১ চার আর ২ ছক্কায় সমান ৯২ রান করে মাদুশঙ্কার কাটারে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন গিল। নিজের পরের ওভারে এসে মাদুশঙ্কা তুলে নেন সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় থাকা আরেক ব্যাটার বিরাট কোহলিকেও. এবারও সেই কাটার। কোহলি বিভ্রান্ত হয়ে ক্যাচ তুলে দিলেন শর্ট কভারে। ৯৪ বলে ১১ বাউন্ডারিতে ৮৮ রানেই থামে কোহলির ইনিংস।
এরপর লোকেশ রাহুল (১৯ বলে ২১), সূর্যকুমার যাদব (৯ বলে ১২) ইনিংস বড় করতে না পারলেও ঝোড়ো ব্যাটিং করে দলকে সাড়ে তিনশর দরজায় নিয়ে গেছেন শ্রেয়াস আয়ার। যদিও তাকেও ফিরতে হয়েছে সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে।
৫৬ বলে ৩ চার আর ৬ ছক্কায় ৮২ রানের মারকুটে ইনিংস খেলে সেই মাদুশঙ্কার শিকার হন শ্রেয়াসও। শেষদিকে রবীন্দ্র জাদেজা ২৩ বলে করেন হার না মানা ৩৪। শ্রীলঙ্কার পেসার দিলশান মাদুশঙ্কা ৮০ রানে একাই নেন ৫টি উইকেট।