খিলগাঁও রেলক্রসিং এলাকায় গাড়ি ছাড়তে ‘দেরি হওয়ায়’ ট্রাফিক পুলিশের দুই সদস্যকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকের এ ঘটনার পর আহত ট্রাফিকের দুই সদস্যকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর তথ্য দিয়েছে পুলিশ। আহতরা হলেন- এএসআই রবিউল হাসান ও কনস্টেবল রবিউল ইসলাম।
ট্রাফিক মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. ফজলুল করিম বলেন, “খিলগাঁও রেলক্রসিং এলাকা এমনিতেই খুব ব্যস্ত থাকে। ট্রাফিক সদস্যরা স্বাভাবিকভাবেই সিগনাল সামলাচ্ছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী এক এক করে সিগনাল ছাড়ছিলেন। সিগনালের একপাশ আটকে আরেক পাশের গাড়ি ছাড়া হচ্ছিল, এমন সময় সিগনালে আটকে থাকা এক চিকিৎসকের গাড়ি ছাড়ার জন্য তাড়া দেওয়া হচ্ছিল। তার দিকে সিগনাল ছাড়লে ওই চিকিৎসকের গাড়ি সামনে আসার পর আবার আটকে দিয়ে আরেক পাশের সিগনাল ছাড়েন ট্রাফিক সদস্যরা।”
তিনি আরও বলেন, “তখন ওই চিকিৎসক আমার ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে রাগারাগি করে। টাকা নিয়ে গাড়ি ছাড়েন- এমন কথা বলতে থাকে। এ নিয়ে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কি হয়। পরে ওই চিকিৎসক ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দিয়েচলে যান।”
অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম বলেন, এর কিছুক্ষণ পরেই চার-পাঁচটি মোটরসাইকেলে ১০-১২ জনকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে আসেন ওই চিকিৎসক। তারা ট্রাফিক পুলিশের ওই দুই সদস্যকে কিল-ঘুষি ও লাথিসহ বেধড়ক মারধর করেন। পরে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয় বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।
ট্রাফিক মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার দেওয়ান জালাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন, “প্রথমে তারা এসে কনস্টেবল রবিউলে গোপনাঙ্গে লাথি মারে। এরপর উপর্যুপরি লাথি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। সেখানে দায়িত্বে থাকা এএসআই রবিউল হাসান এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করা হয়।”