মিরপুরের রূপনগরে কেমিক্যাল গোডাউনে লাগা ভয়াবহ আগুনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, রূপনগরে আগুনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জন হয়েছে। প্রথমে ৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল, পরে সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, গার্মেন্টসের ভেতর থেকে ১৬ জনের মরদেহ এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে। পোশাক কারখানার ২য় এবং ৩য় তলা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। কেমিক্যাল গোডাউনের আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, এখন পর্যন্ত আমরা ৯ জনের মরদেহ পেয়েছি। আমরা ধারণা করছি কেমিক্যাল গোডাউনে যখন আগুন লাগে, তখন বিস্ফোরণের ফলে বিষাক্ত গ্যাস বের হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। আমাদের প্রথম যে ইউনিটগুলো এসেছিল সেখানে যে ফায়ার ফাইটাররা ছিলেন তারা আমাদের জানিয়েছেন, তারা এসে প্রথমে দেখেছেন অনেকেই ভবন থেকে বের হয়ে যেতে পেরেছেন। তারা (যারা মারা গেছেন) হয়তো বিস্ফোরণের পর বিষাক্ত গ্যাসের কারণে বের হতে পারেননি এবং ঘটনস্থলে মারা যান। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আমরা বিস্তারিত তদন্ত করার পর জানতে পারব।
তিনি বলেন, তবে আমাদের অপারেশন এখনো চলমান। ভেতরে এখনও আগুন জ্বলছে। ভবনটি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। সে কারণে ফায়ার ফাইটারদেরও আমরা ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছি না। ওই ভবনে আমরা মানুষবিহীন প্রযুক্তি ব্যবহার করে আপাতত কার্যক্রম পরিচালনা করছি। আমরা সবাইকে বলব ওই ভবন থেকে ন্যূনতম ৩০০ গজ দূরে থাকবেন। আমরা সবাইকে বলছি যারা এখানে দায়িত্ব পালন করছেন তারা যেন কোনোভাবেই ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা না করেন।