প্রকাশ: সোমবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:০৮ পিএম আপডেট: ২০.১০.২০২৫ ৯:২৮ পিএম (ভিজিট : ৬৩০)

X
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জুবায়েদ হোসানের খুনের নেপথ্যে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষা জানান, তার সঙ্গে বয়ফ্রেন্ড মাহিরের প্রেমের জেরেই খুন হন জুবায়েদ।
আজ সোমবার বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বর্ষাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বর্ষার সাথে মাহির রহমানের ৯ বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মাহির রহমান বোরহানউদ্দিন কলেজে ফাস্ট ইয়ারে পড়ে। আর বর্ষা ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজে সেকেন্ড ইয়ারে অধ্যায়নরত। চতুর্থ শ্রেণি থেকেই তারা একে অপরকে পছন্দ করতো। কিন্তু সম্প্রতি তাদের সম্পর্কে টানাপোড়েন ঘটে।
কিছুদিন আগে তাদের সম্পর্কের ভাঙন হয় এবং বর্ষা তার বয়ফ্রেন্ড মাহির রহমানকে জানায় সে তার শিক্ষক জুবায়েদকে পছন্দ করেন। এটা জানার পর রাগে-ক্ষোভে প্রেমিক মাহির তার বন্ধুকে সাথে নিয়ে জুবায়েদকে হত্যা করে।
ওসি আরও বলেন, সম্প্রতি বর্ষা মাহিরকে জানায় সে জুবায়েদকে পছন্দ করে। কিন্তু জুবায়েদকে সে তার পছন্দের কথা এখনও জানায়নি। জুবায়েদের সাথে বর্ষার কোনো প্রেমের সম্পর্ক নেই। তাদের মধ্যে এধনের কোনো মেসেজও পাওয়া যায়নি।
জুবায়েদের রুমমেটের সাথে বর্ষার পরিচয় কীভাবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে বর্ষার সাথে জুবায়েদের বন্ধু সৈকতের পরিচয় হয় ফেসবুকে। এছাড়া অন্য কোনো মাধ্যমে তাদের কথা হতো না, অন্য কোনো সম্পর্কও ছিল না। যেহেতু সৈকত জুবায়েদের বন্ধু ছিল এজন্য জুবায়েদের মৃত্যুর খবর জানাতে সৈকতকে মেসেজ করে বর্ষা।
তিনি আরও বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালে বর্ষার মধ্যে কোনো হতাশা বা কান্নার ছাপ পাওয়া যায়নি। তার মধ্যে এমনকি কোনো নার্ভাসনেসও দেখা যায়নি। জিজ্ঞাসাবাদের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বর্ষা ছিল পুরোপুরি চিন্তামুক্ত।