প্রকাশ: সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৪ পিএম (ভিজিট : ৪১)

X
বগুড়ার সোনাতলা সরকারি নাজির আকতার কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও সোনাতলা উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমীর, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুল জলীল মিঞা (৮৫) আর নেই।
গত রোববার বিকেল আনুমানিক তিনটায় গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার অনন্তপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রীসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন ও গাবতলী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ ক্বারী মাওলানা আব্দুল মজিদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ।
সোমবার সকাল দশটায় সোনাতলা সরকারি নাজির আকতার কলেজ মাঠে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হক সরকার, সাবেক জেলা আমীর অধ্যাপক নাজিমউদ্দীন, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য উপাধ্যক্ষ মোজাহিদুল ইসলাম খান, সোনাতলা উপজেলা আমীর সহকারী অধ্যাপক ফজলুল করিম, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ এটিএম মাহবুব-ই-এলাহি, সরকারি নাজির আকতার কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মঞ্জুর কাদের, ইসলামী ব্যাংক বগুড়া জোন প্রধান শিকদার মো. শিহাব উদ্দিন, ফাতেমা কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল ইসলাম, সোনাতলা উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক মণ্ডল, সোনাতলা পৌরসভার সাবেক মেয়র আলহাজ জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল মোমেন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি প্রভাষক মাওলানা রবিউল ইসলাম, সাপ্তাহিক সোনার বাংলার বগুড়া অফিস প্রধান মিনাজুল ইসলাম মিজান, শ্রমিক নেতা ডা. নুরুল আমীন সরকার, পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজ্জাকুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
প্রফেসর আব্দুল জলীল মিঞা কর্মজীবনে দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকায় দীর্ঘদিন সাংবাদিকতা করেন এবং শিক্ষা ও সমাজসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। পরে বাদ যোহর তার নিজ গ্রাম গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার অনন্তপুরে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এদিকে মরহুমের ইন্তেকালে শোকবার্তায় জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রফেসর আব্দুল জলীল মিঞা ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। সারাজীবন তিনি দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। তার শূন্যস্থান সহজে পূরণ হওয়ার নয়। দাওয়াতি কাজের অংশ হিসেবে তিনি প্রত্যন্ত পল্লী এলাকায় সফর করেছেন এবং মানুষের মাঝে ইসলামের বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন। তারা আল্লাহ তায়ালার কাছে তার জীবনের সব গুনাহ ক্ষমা করে তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করার দোয়া করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।