প্রকাশ: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৩ পিএম (ভিজিট : ৫৭)

X
মাদারীপুরে মরহুম সিনিয়র সাংবাদিক ইয়াকুব খান শিশিরের রূহের মাগফিরাত কামনায় শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদারীপুর জেলার সকল সাংবাদিকবৃন্দের আয়োজনে শুক্রবার সন্ধ্যায় শহরের পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে এ শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়।
মাদারীপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মনজুর হোসেন এর সঞ্চালনায় শোকসভায় ইয়াকুব খান শিশির এর স্মৃতিচারণ করেন সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি খান মো. শহীদ, মরহুমার স্ত্রী শানজিদা সীমা, মাদারীপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সুবল বিশ^াস, সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আবুল হাসান সোহেল, সাংবাদিক ফায়জুল শরীফ, এসএম আরাফাত হোসেন, মাহাবুবুর রহমান, পত্রিকার এজেন্ট ওমর আলী শিকদার প্রমুখ। শোকসভায় জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা এবং মরহুম ইয়াকুব খান শিশিরের স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যবৃন্দ উপস্থিত থেকে শোকসভা ও দোয়া মোনাজাতে অংশ গ্রহণ করেন।
শোকসভায় বক্তারা মরহুম ইয়াকুব খান শিশিরের কর্মময় জীবন, সততা, ন্যায়নিষ্ঠা ও সামাজিক অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারা বলেন, তিনি ছিলেন একজন সজ্জন, বিনয়ী ও সমাজহিতৈষী মানুষ, যার অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আলোচনা শেষে মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন মাদারীপুর পৌরসভা জামে মসজিদের ঈমাম মাওলানা রুহুল আমিন। এ সময় উপস্থিত সকলে তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য মৃত্যুর আগে মরহুম ইয়াকুব খান শিশির মাদারীপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাভিশন টিভি, দৈনিক সমকাল, যায়যায়দিন পত্রিকা, সংবাদ সংস্থা বাসস এর সাবেক মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি, দৈনিক 'মাদারীপুর সংবাদ' পত্রিকার সম্পাদক, কালকিনি উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজের বাংলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান ছিলেন। এছাড়াও তিনি মাদারীপুর ক্রিকেট ক্লিনিক, উদীচী, টিআইবিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন। গত (২১ জানুয়ারী) বুধবার ভোর রাতে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মরহুমের জানাজা নামাজ একইদিন বাদ যোহর মাদারীপুর ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে তাকে গ্রামের বাড়ী টাঙ্গাইল জেলার লক্ষিদিয়া গ্রামে নিয়ে পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়।