প্রকাশ: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৪ এএম (ভিজিট : ১১৮)

X
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সরকারি সম্পত্তির মাটি অবৈধভাবে এক্সভেটর যন্ত্র(ভেকু) দিয়ে ৮ থেকে ১০ ফুট গভীর খনন করে কুতুব(কুত্তা) গাড়ি যোগে বিভিন্ন স্থানে মাটি বিক্রয় করার অভিযোগে সুজন খানকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অপর ৩জন সহযোগিকে জেল দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার(৩ফেব্রুয়ারী) বিকাল ২টার দিকে সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.মিজানুর রহমান ভ্রাম্যমান আদালতে এ রায় প্রদান করেন। ঘটনার সূত্রে জানা গেছে, সাপ্তাহব্যাপী উপজেলার প্রত্যন্ত দিলপাশার ইউপি'র মাগুড়া গ্রামে সরকারি সম্পত্তি থেকে ভেকুমেশিন দিয়ে মাটি কেটে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করছিলেন,উপজেলার মাগুড়া গ্রামের আসাদুজ্জামান সরকারের ছেলে নাইমুল ইসলাম সুজন,পুঁইবিল গ্রামের সুলতান খানের ছেলে সুজন খান, কৈডাঙ্গা গ্রামের মৃতঃ আবু তাহের খানের ছেলে মিজানুর রহমান খান,একই গ্রামের মকবেল প্রাং-এর ইকবাল হোসেন নামে জনশ্রুতি চার মাটি ক্ষোর ব্যক্তি।প্রায় ৮-১০ফুট গভীর খনন করার আশ-পাশের জমি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।পার্শ্বের অন্যান্য জমির মালিকরা মাটি কাটতে বাধা দিলেও তোয়াক্কা করেনি ওই প্রভাবশালী চার মাটিক্ষোর ব্যক্তি।এলাকাবাসী নিরুপয় হয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার(ভূমি)'র কাছে অভিযোগ করলে, মঙ্গলবার বিকালে ২টার দিকে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত সুজন হোসেন খান(২৮)কে বালুমহল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে দোষী সাব্যস্ত করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অপর ৩জন সহযোগি নাইমুল ইসলাম সুজন(২৪),মিজানুর রহমান(৪৩) ও ইকবাল হোসেন(৩২)কে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
ভাঙ্গুড়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)মিজানুর রহমান বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ১৫(১) ধারায় এসব ব্যক্তিদের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।তিনি জানান, ফসলি জমি রক্ষায় ও অবৈধ মাটি কাটায় এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।