প্রকাশ: রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩১ পিএম (ভিজিট : ৭৭)

X
প্রকৃতিতে এখনও বিরাজমান শীত। সারা দিন শীতের অনুভূতি না থাকলেও রাত থেকে সকাল পর্যন্ত এর তীব্রতাররেশ এখনও বিদ্যমান। তবে প্রকৃতির এই অবস্থার মধ্যেও গাছে গাছে ফুটতে শুরু করেছে থোকা থোকা আমের মুকুল। যা বসন্তের আগমনী বার্তা দিচ্ছে প্রকৃতিতে। কেননা আম বাগানের সাড়ি সাড়ি গাছে শোভা ছড়াচ্ছে সবুজ পাতার মধ্যে হলুদ ফুল। যা প্রকৃতিতে ছড়াচ্ছে পাগল করা ঘ্রাণ।
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ভাড়ইমারী, নওদাপাড়া, জগন্নাথপুর, কালিকাপুর, মিরকামারী , জয়নগরসহ আশপাশ এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, ছোট বড় বাগান ও ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আমের গাছ গুলোতে থোকায় থোকায় ফুটতে শুরু করেছে আমের মু্কুল। সবুজ পাতার ফাঁকে ফাঁকে বড্ড শোভা পাচ্ছে হলুদের সমারোহ। এ যেন সবুজ আর হলুদের মহামিলন। ফুল গুলোতে মৌমাছি গুনগুনিয়ে গান গেয়ে মাতিয়ে তুলছে চারিদিক।
ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবছর ঈশ্বরদীতে ৪৫০ হেক্টর জমিতে আমের চাষাবাদ হয়েছে। ইতোমধ্যেই মুকুলে ভরে গেছে আমগাছ।
বাগান মালিকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, অনূকূল আবহাওয়া থাকায় এবছর আমের মুকুল এসেছে আশানুরুপ। বাগান এবং আঙ্গিনার আম গাছগুলোতে ছেয়ে গেছে মুকুল। ছোট বড় আকার ভেদে মাঝাড়ি গাছেই মুকুল ফুটেছে বেশী।
আম বাগান মালিক মানিক বলেন, আমার প্রায় ৬ বিঘা জমিতে আমের চাষ রয়েছে। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর মুকুল বেশী দেখা যাচ্ছে। এখন পর্যন্ত প্রায় গাছেই মুকুলে ছেয়ে গেছে। তবে মুকুল ঝড়া রোধে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সঠিক পরিচর্যার বিষয় গুলো জানালে আমরা উপকৃত হতাম।
জানতে চাইরে ঈশ্বরদী কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা আব্দুল মোমিন জানান, এবছর আবহাওয়া ভালো থাকায় রেকর্ড পরিমান গাছে আমের মুকুল এসেছে। এই আমের মুকুল ও ফল ঝরা রোধে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপ আর পর্যাপ্ত ফলনের জন্য ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন চাষীদের।