প্রকাশ: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪২ পিএম (ভিজিট : ২৬৯)

X
টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। তিনি গোপালপুর ও ভূঞাপুর উপজেলার ১৩৮টি কেন্দ্রেই বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয় অর্জন করেন।
এই দুই উপজেলায় আব্দুস সালাম পিন্টু পেয়েছেন ১ লাখ ৯৫ হাজার ৫৯০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা হুমায়ুন কবির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৮৭৩ ভোট। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মনোয়ার হোসেন সাগর পেয়েছেন ৪ হাজার ৭০৫ ভোট ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের হুমায়ুন তালুকদার পেয়েছেন ১ হাজার ৭৬৮ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭১৭ ভোট বেশি পেয়েছেন এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। বৃহস্পতিবার মধ্য রাতে এ ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং অফিসার শরীফা হক।
ফলাফলে দেখা গেছে, গোপালপুর উপজেলার ৭৭ টি ও ভূঞাপুর উপজেলার ৬১ টি কেন্দ্রের মধ্যে সবকটিতেই বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। গোপালপুরের ৭৭ টি কেন্দ্রে আব্দুস সালাম পিন্টু ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৪১১ টি। আর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা হুমায়ুন কবির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ১৭৯ টি। ভূঞাপুর উপজেলার ৬১ টি কেন্দ্রে আব্দুস সালাম পিন্টু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ১৭৯ ভোট। আর তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা হুমায়ুন কবির দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৬৯৪ ভোট।
উল্লেখ্য এডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসন থেকে ১৯৯১ ও ২০০১ সালের এমপি নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে তিনি উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
বিজয়ের পর নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়ে আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, আপনারা কোনো উশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করবেন না। বিজয় মিছিল করবেন না। আমরা সবাই সবার সাথে মিলেমিশে থাকবো। কেউ কোন অন্যায়, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজির সাথে জড়িত হবেন না। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা জানিয়ে সবসময় গোপালপুর-ভূঞাপুরের সাধারণ মানুষের পাশে থাকার কথা জানান তিনি।