প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:৪২ এএম (ভিজিট : ২৭০)

X
পাপিয়া ইসলাম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। সংরক্ষিত ৫০টি আসনের মধ্যে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) পেতে যাচ্ছে ৩৫টি আসন—এমন জোর আলোচনা দলীয় মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে। আর এই মনোনয়নকে কেন্দ্র করে দলের ভেতরে শুরু হয়েছে দৌড়ঝাঁপ।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর থেকেই সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের তৎপরতা বেড়েছে। ইতোমধ্যে অনেকেই বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে নিজেদের ভূমিকা, দলীয় আনুগত্য ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতার বিবরণ সংযুক্ত করে প্রোফাইল নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জমা দিতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ আবার প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মনোনয়ন নিশ্চিতের চেষ্টাও করছেন।
তবে বিএনপির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানিয়েছে, সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে এখনো নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়নি। দল এবার নবীন ও প্রবীণ নেত্রীদের সমন্বয়ে নারী আসনের প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারে এমন আভাসও পাওয়া যাচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে তৃণমূল পর্যায়ে আলোচনায় উঠে এসেছে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীর নেত্রী পাপিয়া ইসলামের নাম। তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সদস্য। এর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ী উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ও সম্পাদিকার দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি জেলা মহিলা দলের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।
পাপিয়া ইসলামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ী উপজেলার আউটশাহী ইউনিয়নের বলই গ্রামে। তিনি উচ্চশিক্ষিত; জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
দলীয় তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে তিনি বিবেচনায় থাকতে পারেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে দলীয় হাইকমান্ডের পক্ষ থেকেই।