প্রকাশ: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:১০ পিএম (ভিজিট : ৪৮)

X
সংগৃহীত ছবি
গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত কাজলরেখা সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় সাদিয়া আয়মানের। পরে তানিম নূর পরিচালিত উৎসব সিনেমায়ও তাকে দেখা গেছে। দুটি সিনেমায়ই তার অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি একটি ওয়েবফিল্ম ‘মিউ’-তে অভিনয় করেছেন এ অভিনেত্রী। এ ফিল্মে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছে সাদিয়া আয়মানের পোষা বিড়াল আলু। শুটিং সেটে অনেক মানুষের ভিড়ে একটি প্রাণীকে দিয়ে অভিনয় করানো বেশ চ্যালেঞ্জিং হলেও আলু বেশ স্বাভাবিকভাবেই কাজটি করেছে।
অভিনেত্রী বলেন, ‘হি ইজ সো প্রফেশনাল। আমি খুবই গর্ববোধ করছি। আলু খুবই কমফোর্টেবল ছিল।’ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করার কারণও আছে বলে মনে করেন সাদিয়া, আগে থেকেই আলুর ভিডিও বা ছবি তোলার অভ্যাস থাকায় ক্যামেরার সামনে সে স্বাভাবিক ছিল। এছাড়া পুরো শুটিং ইউনিট আলুর জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করেছিল, তাই কোনো অসুবিধা হয়নি।
সম্প্রতি সাদিয়ার আরেকটি কাজ লাভ সিটারেও একটি পোষা বিড়ালকে ঘিরে গল্প গড়ে উঠেছে। রোমান্টিক ঘরানার এ সিনেমা যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী ও মুশফিকা মাসুদ। এতে সাদিয়ার বিপরীতে অভিনয় করেছেন জিয়াউল পলাশ। যদিও দুটো কাজেই বিড়াল রয়েছে, তবে গল্প ও চরিত্রে ভিন্নতা আছে বলে জানিয়েছেন সাদিয়া। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মিউয়ের গল্পে মনস্তাত্ত্বিক একটি দিক রয়েছে, লাভ সিটার মূলত প্রেমের গল্প।
এর আগে অমিতাভ রেজা চৌধুরীর ওয়েব সিরিজ ‘বোহেমিয়ান ঘোড়া’য়ও কাজ করেছেন তিনি। অভিনেত্রীর মতে, অমিতাভ রেজার কাজের প্রস্তুতি অত্যন্ত পরিকল্পিত। শুটিংয়ে যাওয়ার আগেই পুরো টিম চরিত্র ও গল্প নিয়ে বিস্তারিত প্রস্তুতি নেয়, ফলে অভিনয়ে মনোযোগ দেয়া সহজ হয়।
ক্যারিয়ারের শুরুতে রোমান্টিক চরিত্রে পরিচিতি পেলেও সাম্প্রতিক সময়ে ভিন্ন ধরনের চরিত্রে কাজ করতে আগ্রহী সাদিয়া আয়মান। তিনি জানান, একই ধরনের চরিত্র বারবার আসতে শুরু করলে তিনি সেখান থেকে নিজেকে সরিয়ে আনেন এবং সংখ্যার চেয়ে কাজের মানকে বেশি গুরুত্ব দেন। কোনো গল্প পেলে আগে নিজেকে প্রশ্ন করেন, কেন তিনি কাজটি করবেন। উপযুক্ত মনে না হলে বড় প্রস্তাবও সম্মান রেখে ফিরিয়ে দেন।