প্রকাশ: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৭:১২ পিএম (ভিজিট : ৩১৭)

X
সংগৃহীত ছবি
ঈদুল ফিতরের আর এক/দুইদিন বাকি। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুরে গরু, খাসি ও মুরগির মাংসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন সুযোগ সন্ধানি ব্যবসায়ীরা।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে সৈয়দপুর শহরের বাজারে গেলে লক্ষ্য করা গেছে, যে গরুর মাংস ক’দিন আগে বিক্রি হচ্ছিলো সাড়ে ৬শ’ থেকে ৬শ’ ৮০টাকা কেজি দরে সেই মাংস বিক্রি করা হচ্ছে ৭২০ টাকা থেকে সাড়ে ৭শ’ টাকা কেজি দরে।
খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১শ’ থেকে সাড়ে ১২শ’ টাকা কেজি দরে। ফার্মের যে মুরগি বিক্রি হতো দেড়’ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে তা’ বিক্রি হচ্ছে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে। পাকিস্তানি যে মুরগি বিক্রি হচ্ছিলো ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে তা’ বিক্রি করা হচ্ছে ৩শ’ ৬০ টাকা থেকে ৪শ’ টাকা কেজি দরে।
আর যে দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছিলো ৫শ’; টাকা কেজি দরে তা’ বিক্রি করা হচ্ছে সাড়ে ৬শ’ থেকে ৬শ’ ৮০ টাকা কেজি দরে। আশংকা করা হচ্ছে ঈদের আগের দিন গরুর মাংসের দাম বেড়ে ৮শ’ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। একই অবস্থা হতে পারে অন্যান্য মংসের ক্ষেত্রেও।
বাজারে আসা ক্রেতাদের সাথে আলাপ হলে তারা জানান, এরকম ভাবে দাম বাড়ালে আমাদের জন্য যে কত কষ্টের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় তা’ কেউ চিন্তা করেন না।
এভাবে দাম বাড়ালে যারা বিত্ত¡বান তারা হয়তো এসব কিনে ঈদের আনন্দ ভোগ করতে পারবন। কিন্তু, আমরা মধ্যবিত্ত বা আরোএকটু নি¤œ আয়ের মানুষ তাদের ভাগ্যে ঈদ আনন্দটুকুও জুটবে না। এমনিতেই আমাদের অনেকেই ঈদের নতুন কাপড়-চোপড় এখনও ঠিকমতো কিনতে পারিনি দামের কারণে। তারপরেও ঈদের পরে কেনা-কাটা করা যাবে বলে পরিবারের সদস্যদের শান্তনা দিয়ে রেখে এখন ঈদ উপলক্ষে খাওয়ার জন্য মাংসও কিনতে পারছিনা দাম বেড়ে যাওয়ায়।
এসময় অনেকেই প্রশ্ন করেন এসব বিষয় কি দেখার কেউই নেই ?