প্রকাশ: রোববার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫০ পিএম আপডেট: ১২.০৪.২০২৬ ২:০৯ পিএম (ভিজিট : ৩৮)

X
সংগৃহীত ছবি
আজ রবিবার দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলের মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে। মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। অনেক দিন ধরেই যে তিনি অসুস্থ ছিলেন। শনিবার সন্ধ্যাবেলা হঠাৎই ছড়িয়ে পড়ে তাঁর অসুস্থতার খবর। গতকাল সন্ধ্যাবেলা আচমকাই শরীরে অস্বস্তি শুরু হয় শিল্পীর। নিজের অস্বস্তির কথা এক গৃহকর্মীকে জানিয়েছিলেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন।
আশার ছেলে আনন্দ ভোঁসলে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি, হিন্দুস্তান টাইমস এবং আনন্দবাজারের তথ্য অনুসারে, শনিবার সন্ধ্যা থেকে অসুস্থ বোধ করছিলেন আশা ভোঁসলে। তারপর দ্রুত তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই রোববার দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আশা।
১৯৩৩ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এই শিল্পী। তিনি ভারতীয় সঙ্গীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র। কয়েক দশক জুড়ে তাঁর কণ্ঠে অসংখ্য জনপ্রিয় গান শ্রোতাদের মন জয় করেছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ভারতের বিভিন্ন ভাষায় অজস্র চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন এবং বহু পুরস্কার অর্জন করেছেন। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন, ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। এ ছাড়া, ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর জনপ্রিয় গানগুলির মধ্যে অন্যতম, ‘দিল তো পাগল হ্যায়, ‘এক পরদেশী মেরা দিল লে গয়া’, ‘তুমসে মিলকে’ ইত্যাদি।
আশা ভোসলের ছেলে আনন্দ ভোসলে রবিবার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আজ আমার মা মারা গিয়েছেন। আগামিকাল সকাল ১১টায় লোয়ার পারেলের কাসা গ্র্যান্ডে এসে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন সকলে। এখানেই তিনি থাকতেন। আগামীকাল বিকেল ৪টায় শিবাজি পার্কে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।”
আশা ভোসলের অসুস্থতায় আরোগ্য কামনা করে একটি পোস্ট করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, “আশা ভোসলেজি হাসপাতালে শুনে গভীর ভাবে চিন্তিত। ওঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।” শিল্পীর প্রয়াণে সঙ্গীতজগতে শোকের ছায়া নেমে আসে।