
X
টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশস্থল
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল পহেলা বৈশাখ টাঙ্গাইলে যাচ্ছেন কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করতে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে উচ্ছ্বসিত জেলার সর্বস্তরের মানুষ। শেষ সময়ে চলছে স্টেডিয়াম মাঠে চলছে মঞ্চ ও প্যান্ডেল তৈরির কাজ। ইতিমধ্যে অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেছেন বেশ কয়েক জন মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীরা।
কৃষি কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ঘিরে শেষ মুহুর্তে চলছে জোর তৎপড়তা। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারের পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন কৃষি, খাদ্য ও মৎস্য-প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, কৃষকদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসতেই কৃষি কার্ড একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ। এর মাধ্যমে ভুর্তুকি, প্রণোদনা ও সরকারি সহায়তা সরাসরি কৃষকদের হাতে পৌঁছে যাবে।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান বলেন, বর্তমান সরকার কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কৃষি কার্ড চালুর মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ, তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের ধারাবাহিকতায় কৃষি খাতেও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। কৃষি কার্ড সেই উদ্যোগেরই অংশ।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, টাঙ্গাইলসহ সারাদেশের স্টেডিয়াম গুলোর জিমনেসিয়াম পুনরায় চালু করা হবে, কোথাও বেদখল থাকলে সে গুলো উদ্ধার করে ক্রীড়া মোদী দেশ গড়ে তুলা হবে।
এছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করছে। কৃষি কার্ড এই খাতগুলোর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু এমপি, জেলা পরিষদের প্রশাসক এসএম ওবায়দুল হক নাসিরসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।