প্রকাশ: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩৮ পিএম (ভিজিট : ১৮৪)

X
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, আমি জীবনে এককভাবে পথ চলেছি। যখন যেটা সত্যি কথা মুখ তুলে বলেছি।
এজন্য অনেকে নানা রকম কথা বলেছে। আমাকে বলেছে দল ত্যাগ করে চলে যাবে। সত্যি আমাকে মাফিয়া নেত্রী শেখ হাসিনা অনেকবার চেষ্টা করেছেন এবং এরকম কোনো লোভ নাই যেটা তিনি দেখান নাই। আমি যদি যেতাম তার পরেই আমার অবস্থান হতো। আমি বলেছি আমার বয়স ৮০ বছর এখন আর এগুলো করার সময় নাই। জিয়া পরিবারের বাইরে কোনো দিন আমার কোনো চিন্তা-চেতনা ছিলো না।
শনিবার (১৮এপ্রিল) সকালে ভোলার সার্কিট হাউজে জেলার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ সব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, জেনারেল জিয়াউর রহমানের অধীনে আমি যুদ্ধ করেছি এবং বেগম জিয়া আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। আমি জেনারেল জিয়া ও বেগম জিয়ার প্রতি সব সময় অনুগত ছিলাম। আমি এই দলের (বিএনপি) অনেক সিনিয়র ছিলাম। কিন্তু সবাই আমাকে ক্রোস করে উপরে চলে গিয়েছে এবং আমার আগে স্থায়ী কমিটির সদস্য হয়েছে। একমাত্র ড. মোশাররফ হোসেন ছাড়া সবার সিনিয়র ছিলাম আমি তাও স্থায়ী কমিটিতে আমার স্থান হয়নি। আমি এগুলো নিয়ে কখনো মাথা ঘামায়নি। আমার নজর ছিলো এলাকা থেকে জনগণ যাতে ভোট দেয়, আমি যেনো জাতীয় সংসদে যেতে পারি। এবারও ভোট দেওয়ার পর লোকজন আশা করেছিল আমি যেনো একটা প্লাগ নিয়ে আসতে পারি। আল্লাহর রহমতে দুই দুইটা প্লাগ নিয়ে এসেছি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে। তার সাথে আমি জীবনে কথা বলেছি দুই দিন। এছাড়া কোনোদিন টেলিফোন হয় নাই, দেখাও হয় নাই, কথাও হয় নাই। কিন্তু তিনি আমাকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ পদে আমাকে অভিহিত করেছেন। এ জন্য আমি তাঁর কাছে ও আমার দল বিএনপির খুবই কৃতজ্ঞ।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. রাইসুল আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।