রামগঞ্জে ছাত্র হত্যার অভিযোগে অধ্যক্ষসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রামগঞ্জ (লক্ষীপুর) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

লক্ষীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া একাডেমির আবাসিক হলে ছাত্র মেহেদী হত্যার অভিযোগে অধ্যক্ষ খন্দকার আবদুল মান্নানসহ ৭

2026-06-19T19:09:40+00:00
2026-06-19T19:09:40+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
রামগঞ্জে ছাত্র হত্যার অভিযোগে অধ্যক্ষসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা
রামগঞ্জ (লক্ষীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ জুন, ২০২৬, ৭:০৯ পিএম   (ভিজিট : ৬২)
নিহত ছাত্র মেহেদী
X

নিহত ছাত্র মেহেদী

লক্ষীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ফরিদ আহমেদ ভূইয়া একাডেমির আবাসিক হলে ছাত্র মেহেদী হত্যার অভিযোগে অধ্যক্ষ খন্দকার আবদুল মান্নানসহ ৭ শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ৮টায় ১৮ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছে মেহেদীর পিতা জিয়াউদ্দিন জিয়া।

অধ্যক্ষ ছাড়া মামলার অপর অভিযুক্তরা হলেন একই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দ্বাদশ শ্রেণির ৭জন শিক্ষার্থী। তারা সবাই এবারের এইচ.এস.সি পরিক্ষার্থী। এছাড়া উক্ত মামলা আরো ৯/১০জনেক অজ্ঞাত হিসাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মামলার বাদী জিয়া উদ্দিনের দায়েরকৃত এজাহার সূত্রে জানা যায় ঘটনার দিন ১৬ জুন সন্ধা ৭টা ৪০ মিনিটে অজ্ঞাত ফোন থেকে মেহেদী হাসানের পিতা জিয়া উদ্দিনের মোবাইল নম্বরে একটি নম্বর থেকে কল দিয়ে জানানো হয় মেহেদী মারাত্মক অসুস্থ্য। আমার স্ত্রী শারমিন আক্তার, ভাই, ভাগিনা ও কন্যাকে দ্রুত স্কুলে যেতে বলি। আমার স্ত্রী ও নিকটাত্মীয়রা স্কুলে গিয়ে শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানতে পারেন আমার ছেলে চাটখিল সরকারি হসপিটালে চিকিৎসাধীন। চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে দেখে ছেলের লাশ পড়ে আছে।

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয় মেহেদী হাসান ২০২৪ইং সনে অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে আবাসিক হলেই অবস্থান করতো। পূর্ব থেকে বিদ্যালয়ের আবাসিক হলের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীরা তাকেসহ কনিষ্ট শিক্ষার্থীদের কারনে অকারনে শারিরীক, মানসিকভাবে নির্যাতন ও হয়রানি করতো। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে লিখিত ও মৌখিকভাবে অভিযোগও করা হয়েছে। দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীর আই ফোন চুরি হওয়ার ঘটনায় মেহেদী হাসানসহ কয়েকজনকে অভিযুক্ত করে বেধম শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে মামলায় অভিযুক্তরা। 

এ বিষয়ে মেহেদী হাসান একাডেমির অধ্যক্ষকে লিখিতভাবে জানানোর পরও কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। উপরুন্ত অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগ দেয়ার অপরাধে তাকে দ্বাদশ শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী আবারও বেধম মারধর করে এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করলে সে মারা যায়। পরে কে বা কাহারা লাশ চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। 

এদিকে শুক্রবার দুপুওে লক্ষীপুর-১ রামগঞ্জ আসনের এমপি সাহাদাত হোসেন সেলিম, রামগঞ্জ থানার ওসি ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরীসহ উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা নিহত ছাত্র মেহেদী হাসানের কবর জিয়ারত ও শোকাহত পরিবারে সমাবেদনা জানাতে গেলে স্বজনেরা বলেন, যে প্রতিষ্ঠানে মোবাইল নিষিদ্ধ সেই প্রতিষ্ঠানে মোবাইল গেলো কি ভাবে? নির্যাতনের ঘটনায় মেহেদী অধ্যক্ষকের নিকট বিচার দিলে অধ্যক্ষ নিজেও মেহেদীকে অপমান অপদস্থ করে। 

এ সময় এমপি সাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তাদের দ্রুত আইনের আওয়াতা আনা হবে। 

অপরদিকে মেহেদী হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবীদেও রামগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে। ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ফরিদ আহম্মেদ ভুইয়া আত্মগোপনে রয়েছে।






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy