প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২১ পিএম (ভিজিট : ১১)

X
ফাইল ছবি
নাটোরের বড়াইগ্রামে সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীকে (১৪) অপরহণ করে ৪০ লক্ষ টাকা মুক্তপন দাবী করার অভিযোগ উঠেছে। থানায় অভিযোগের ৮দিন পার হলেও ওই শিক্ষার্থী উদ্ধার না হওয়ায় চরম উৎকন্ঠায় রয়েছে পরিবার।
গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সপ্তম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থী নিজ স্কুল উপজেলার মৌখাড়া ইসলামিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে অপহরণ হয়। পরে শিক্ষার্থীর মা ৪ জনের নাম উল্লেখসহ ৭ জনকে আসামী করে বড়াইগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
শিক্ষার্থীর মা বলেন, আমার মেয়ে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে গুরুদাসপুর উপজেলার বৃ-চাপিলা শাহিবাজার এলাকার শহিদুল ইসলানের ছেলে মতিউর রহমান মিঠু (২৫) উত্যাক্ত ও প্রেম নিবেদন করতেন। বিষয়টি আমরা জানার পরে মিঠুর পিতা-মাতাকে উত্যাক্ত করতে নিষেধ করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে মেয়ে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হয়ে বিদ্যালয়ের সামনে পৌঁছালে মিঠু, তার বাবা শহিদুল ইসলাম (৪৮), মা মিনা বেগম (৪২) ও মামা উজ্জল হোসেন (৩৫) জোর করে একটি সাদা মাইক্রবাসে তুলে নিয়ে যায়।
আমি ওই দিনই বড়াইগ্রাম থানায় সাধারন ডায়রী করি। যার নম্বর-১৪৮৬। পরে তাদেরকে আসামী করে লিখিত অভিযোগ করি। এদিকে গত রোববার আমার শশুর আরশেদ আলী মিঠুর বাড়িতে গেলে তার মামা উজ্জল হোসেন মেয়েকে ফেরত দিতে ৪০ লক্ষ টাকা দাবী করেন। বিষয়টি থানা পুলিশকে অবগত করেছি। এরপরও পুলিশ কোন আসামীকে গ্রেপ্তার বা মেয়ের সন্ধান দিতে পারছে না। ফলে আমরা চরম উৎকন্ঠায় আছি।
শিক্ষার্থীর দাদা বলেন, আমি অন্য নাতিকে নিয়ে মিঠুর বাড়িতে গেলে তারা আমার কাছে ৪০ লক্ষ টাকা দাবী করে। এতো টাকা আমি কোথায় থেকে দিব। আমি এই ঘটনার বিচার দাবী করছি।
অভিযুক্ত মিঠুর মামা উজ্জল হোসেন বলেন, আমার ভাগিনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। থানায় মৌখিক ভাবে জানানো হয়েছে। তারা আমার কাছে এসে ছিলেন। কিন্তু টাকা-পয়সা চাওয়া হয় নাই।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। আশার করি দ্রুত ওই শিক্ষার্থী উদ্ধার করা সম্ভব হবে।