প্রকাশ: সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৫৬ পিএম (ভিজিট : ১৫)

X
প্রতীকী ছবি
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় আর্থিক দৈন্যতা আর মরনব্যাধি লিভার সিরোসিসের অসহনীয় যন্ত্রাণায় মোতালেব আলী (৫০) নামের একব্যক্তি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্নহত্যা করেছে।
সোমবার (১০ আগষ্ট) সকালে উপজেলার নলডাঙ্গা শ্রীরামপুর হাজীপাড়ায় নিজের শয়ন ঘরের তীরের সাথে তার ব্যবহূত গামছা গলায় পেছিয়ে তিনি আত্নহত্যা করেন।
মৃত আব্দুল মোতালেব ওই গ্রামের মৃত আরদশ আলীর ছেলে।
মৃতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, মোতালেব দীর্ঘদিন ধরে মরনব্যাধি ক্যান্সারে ভুগছিলেন।কিন্তু অভাব অনাটনের সংসারে তার উন্নত চিকিৎসা করা সম্ভব হয়নি। জীবন জীবিকা নির্বাহের তাগিদে মোতালেব দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করছিলেন। কিছুদিন আগে তিনি রোগাক্রান্ত হয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। ঘটনার আগের রাতে প্রতিদিনের মত মোতালেব খাওয়া নাওয়া করে নিজ ঘরে শুয়ে পড়েন ।
এরইমধ্যে পরিবারের সকলের অগোচরে রাতের কোন একসময় তিনি শয়ন ঘরের তীরের সাথে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্নহত্যা করেন।
পরেরদিন সোমবার সকালে তিনি ঘুম থেকে জেগে না উঠায় তার মা ও পরিবারের অন্যান্যে লোকজন তাকে ডাকাডাকি করতে থাকেন।
কিন্তু এতে তার কোন সাড়া না পাওয়ায় ঘরের দরজা ভেঙ্গে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন চিৎকার দিয়ে ওঠে। এসময় আশেপাশের লোকজন দৌড়ে এসে ঝুলন্ত অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পায়।
তার পরিবারের দাবি মোতালেব দীর্ঘদিন ধরে মরনব্যাধি ক্যান্সারে ভুগছিলেন।অভাব অনাটনের সংসারে উন্নত চিকৎসা করার মত তার কোন আর্থিক সামর্থ ছিল না। এমতবস্থায় রোগ যন্ত্রণায় তিনি আত্নহত্যা করতে পারেন বলে এমনটা ধারনা করা হচ্ছে।
এদিকে এখবর পেয়ে ওইদিন সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরুতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন।এঘটনায় থানাঢ একটি অপমৃত্যু
সাদুল্লাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহীন লাশের সুরুতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন। এঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এসআই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মৃতের এঘটনায় স্বজনদের কোন অভিযোগ কিংবা আপত্তি না থাকায় ময়না তদন্ত ছাড়াই লাশটি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।